বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাবিতে ভর্তি শতাধিক শিক্ষার্থী; চক্র গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গত ৩ বছরে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ভর্তি হয়েছে একশ’রও বেশি শিক্ষার্থী। প্রশ্নফাঁস ও ডিভাইসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এই জালিয়াত চক্র ভর্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা।

এমন তথ্য জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দফতওে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। জালিয়াত চক্রের গ্রেফতারকৃত সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ ও আগের গ্রেফতারকৃতদের মামলা তদন্ত করে এসব তথ্য দিয়েছে সিআইডি।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম জানান, ১৪ নভেম্বর এ চক্রের হোতা এনামুল হক আকাশকে গাজীপুর ও নাবিদ আনজুম তনয়কে রংপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী সোমবার ঢাবিতে ভর্তি হওয়া ৭ ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়।

ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির মূল হোতা নাভিদ আনজুম তনয়। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। আর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী আকাশ। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে বাইরে থেকে উত্তর বলে দিয়ে এবং পরীক্ষার দিন সকালে কেন্দ্র থেকে প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করে আসছিল।

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্ত আমরা শুধু ঢাবি নয়, ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষা ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাতেও জালিয়াতির তথ্য পেয়েছি। সে বিষয়েও তদন্ত চলছে। প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতির মাধ্যমে প্রত্যেকটি ভর্তি পরীক্ষায় ৪ থেকে ৭ লাখ করে টাকার লেনদেন হয়েছে।’


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ