বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

যা আছে আনান কমিশনের সুপারিশে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবরার আবদুল্লাহ : মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের সহিংসতা ও রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু মুসলিমদের মানবিক উন্নয়নকে সামনে রেখে গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানকে প্রধান করে ‘দ্য এ্যডভাইজারি কমিশন অব রাখাইন স্টেট’ নামে একটি কমিশন গঠন করে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সাং সুচি। কমিশনের ৯ সদস্যের মধ্যে ৬ জন মিয়ানমানের নাগরিক এবং কফি আনানসহ ৩ জন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব রয়েছেন।

কমিশন দীর্ঘ এক বছর অনুসন্ধান ও যাচাই-বাছাই করে করে গত ২৩ আগস্ট ২০১৭ সালে একটি রিপোর্ট পেশ করে। রিপোর্টে তারা সচেতনভাবে বাঙালি ও রোহিঙ্গা উভয় শব্দ পরিহার করে। তার পরিবর্তে ‘মুসলিম কমিউনিটি অব রাখাইন’ শব্দটি ব্যবহার করে।

কমিশন মিয়ানমারের রাখাইনের আংশিক ও বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। কমিশন ৭৬০ পরিবার সঙ্গে কথা বলে এবং ১১৫ বার বৈঠক করে এ সুপারিশমালা তৈরি করেন।

কমিশন ১২ ইস্যুত ৮৬ টি সুপারিশ করেছেন। ১২টি ইস্যু হলো,

১. মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা

২. মিডিয়ার প্রবেশাধকার

৩. আইন ও সমতা

৪. সীমান্ত ইস্যু ও বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন

৫. সামাজিক অর্থনীতির উন্নয়ন

৬. নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণ

৭. নাগরিকত্ব ও স্বাধীনভাবে চলাচলের অধিকার

৮. আইডিপি ক্যাম্প বন্ধ

৯. সাংস্কৃতিক ইস্যু

১০. বিভিন্ন গোষ্ঠি ও সম্প্রদায়ের মধ্যে আন্তঃজাতি আলোচনা

১১. নাগরিক জীবনে অংশগ্রহণের সুযোগ

১২. আঞ্চলিক সম্পর্কের উন্নয়ন

১২টি বিষয়ে কমিশন তাদের পযবেক্ষণ ও সুপারিশমালা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন। যেমন মানবাধিকারের ব্যাপারে বলা হয়েছে, ‘মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় সরকার ও রাখাইনের প্রাদেশিক সরকারের উচিৎ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তরিক চেষ্টা করা এবং সহিংসতা রোধ করা।

মিডিয়া বিষয়ে বলা হয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার প্রবেশাধিকার দেয়া হোক।

একইভাবে বলা হয়েছে সীমান্ত সমস্যার সমাধানের জন্য বাংলাদেশ-মিয়ানমার একটি জয়েন্টফোর্স গঠন করবে।

কমিশন রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাগরিকত্ব প্রদান করে তাদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার সুপারিশ করে এবং শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়া ১২ লাখ (নতুন ৩ লাখ বাদে) রোহিঙ্গা মুসলিমের মানবেতর জীবনের অবসান চান।

বিস্তারিত দেখুন : INTERIM REPORT AND RECOMMENDATIONS


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ