শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ।। ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাজীপুরে আগুনে পুড়ে ছাই ১১ বসতঘর হবিগঞ্জে তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ আগামীকাল বায়তুল মোকাররমে জুমা-পূর্ব আলোচনা করবেন আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী বন্যাদুর্গতদের জন্য জুলাইয়ে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় বন্ধের উদ্যোগ হরমুজের পর লোহিত সাগরও বন্ধের হুমকি ইরানের তফসিল ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রেরণের নির্দেশ ইসির ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে’  ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩০৬ জুলাই শহীদদের স্মরণে বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

আধুনিক দাসত্বে ১৫ লক্ষ মানুষ বাংলাদেশে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : বাংলাদেশে আধুনিক দাসত্বের মধ্যে বসবাস করছে ১৫ লাখ ৩১ হাজার ৩০০ মানুষ। এ কথা বলা হয়েছে গ্লোবাল স্লেভারি ইনডেক্স-২০১৬ তে। ওই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১০ নম্বরে। অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ওয়াক ফ্রি ফাউন্ডেশন এ সূচক প্রণয়ন করেছে।

এতে বলা হয়েছে, বিশ্বে এখন ৪ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি মানুষ বসবাস করছে আধুনিক দাসত্বের অধীনে। এতে আরো বলা হয়েছে, এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোতে এ সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি। তার মধ্যে শীষে আছে ভারত। সেখানে এমন মানুষের সংখ্যা এক কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭০০। পাকিস্তানে ২১ লাখ ৩৪ হাজার ৯০০। ইন্দোনেশিয়ায় ৭ লাখ ৩৬ হাজার ১০০। মিয়ানমারে ৫ লাখ ১৫ হাজার ১০০। থাইল্যান্ডে ৪ লাখ ২৫ হাজার ৫০০। জাপানে ২ লাখ ৯০ হাজার ২০০। নেপালে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬০০। মালয়েশিয়ায় এক লাখ ২৮ হাজার ৮০০। শ্রীলঙ্কায় ৪৫ হাজার ৫০০।

উল্লেখ্য, বিশ্বের ১৬৭টি দেশের ওপর ওই সূচক প্রণয়ন করা হয়েছে। তাতে আধুনিক দাসত্বের শিকার বলে যে পরিমাণ মানুষকে দেখানো হয়েছে তার অর্ধেকের বাস এশিয়ার ৫টি দেশে। এগুলো হলো ভারত, চীন, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তান। কোনো মানুষ যখন কোনো হুমকি, সহিংসতা, জুলুম, ক্ষমতার অপপ্রয়োগ অথবা প্রতারণার মতো পরিস্থিতির শিকার হয় এবং তা পরিহার করতে না পারে এমন অবস্থাকে আধুনিক দাসত্ব হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ওয়াক ফ্রি ফাউন্ডেশন।

এই সূচকে দেখা গেছে বাংলাদেশে জোর করে বিয়ে দেয়ার চেয়ে জোর করে শ্রমে নিয়োজিত করার প্রবণতা অনেক বেশি। জোর করে এখানে শ্রমে নিয়োজিত করা হয় শতকরা ৮০ ভাগকে। আর জোর করে বিয়ে দেয়ার হার শতকরা ২০ ভাগ। শ্রমে নিয়োজিত করার মধ্যে সাধারণ শ্রমে রয়েছে শতকরা ২৪ ভাগ। নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে শতকরা ২২ ভাগ। ওষুধ উৎপাদন খাতে শতকরা ১৩ ভাগ ও কৃষিকাজে শতকরা ১১ ভাগ।

-এজেড


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ