শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা পাকিস্তানে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধিদল তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত, সপ্তাহের মাঝামাঝি বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস কৃষক-ভোক্তার সরাসরি সংযোগে স্বস্তি আসবে বাজারে: বাণিজ্যমন্ত্রী গুজব ও যাচাইবিহীন তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন: কাবার ইমাম

হাত-পায়ে জ্বালাপোড়া করে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : হাতে ও পায়ের জ্বালাপোড়া খুবই অস্বস্তিকর একটি অনুভূতি। বিশেষ করে গরমের সময় এই সমস্যা অনেকেরই হয়ে থাকে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি বলা হয়। প্রধানত হাতে পায়ের স্নায়ু কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে হাতে-পায়ে জ্বালাপোড়া ভাব হতে পারে। এছাড়াও অনিয়ন্ত্রিত ও দীর্ঘ দিনের ডায়াবেটিস, কিডনি ও থাইরয়েডের সমস্যা, শরীরে ভিটামিন বি১২ ও বি১ এর ঘাটতি, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, মদ্যপান, ছত্রাক সংক্রমণ, নারীদের মেনোপজের আগে ও পরে, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ইত্যাদি কারণে হাতে-পায়ে জ্বালাপোড়া হয়ে থাকে।
এই রোগের প্রধান উপসর্গ হলো হাত বা পায়ের পাতা দুটি মাঝে-মধ্যে জ্বলে উঠে। সুঁই ফোঁটার মত বিঁধে। ঝিমঝিম বা অবশও লাগতে পারে। এ রোগের প্রধাণ উপসর্গ হলো হাত বা পায়ের পাতা দুটি মাঝেমধ্যে জ্বলে উঠবে। কখনো সুই ফোটার মতো বিঁধে। ঝিম ঝিম বা অবশও লাগে। অনেকেরই এ ধরনের অনুভূতি হয়।

এই রোগের কারণ

* হাত-পায়ে জ্বালাপোড়ার বড় কারণ হলো অনিয়ন্ত্রিত ও দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস। রক্তে শর্করার আধিক্য ধীরে ধীরে হাত-পায়ের স্নায়ুকে ধ্বংস করে এ ধরনের উপসর্গ সৃষ্টি করে।

* কিডনি ও থাইরয়েড সমস্যা থাকলে।

* শরীরে ভিটামিন বি ১২ ও বি ১-এর অভাব হলে।

* মদ্যপান, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ইত্যাদি রোগ থাকলে।

* ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় পায়ে জ্বালাপোড়া হতে পারে, যেমন যক্ষ্মা রোগে ব্যবহৃত আইসোনিয়াজিড, হৃদরোগে ব্যবহৃত অ্যামিওড্যারোন, কেমোথেরাপি ইত্যাদি।

* ছত্রাক সংক্রমণ।

* রক্ত চলাচলে সমস্যা।

* মহিলাদের মেনোপোজের পর।

* অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ।

এক্ষেত্রে করণীয়

* ডায়াবেটিসের রোগীরা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখুন, হাত-পায়ের যত্ন নিন।

* প্রচুর পানি পান করতে হবে।

* যাঁদের স্নায়ু সমস্যা আছে, তাঁরা হাত-পায়ের যেকোনো ক্ষতের দ্রুত চিকিৎসা নিন।

* পায়ে গরম সেঁক নিন। নখ কাটা ও জুতা নির্বাচনে সাবধান হোন।

* পায়ের সমস্যার জন্য সব সময় যে ভিটামিনের অভাবই দায়ী, তা নয়। তাই সব ধরনের সমস্যায় ভিটামিন বি খেয়ে উপকার পাওয়া যাবে না।

* দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কমান।

* নিউরোপ্যাথি আছে প্রমাণিত হলে স্নায়ুর যন্ত্রণা লাঘব করে এমন কিছু ওষুধ পাওয়া যায়। চিকিৎসকের পরামর্শে সেগুলো সেবন করতে পারেন।

কখন যাবেন ডাক্তারের কাছে

* জ্বালাপোড়া হঠাৎ শুরু হয়ে আর কমছে না।

* আঙুল বা পাতায় অনুভূতি কমে যাচ্ছে, অবশ মনে হচ্ছে।

* আপনার পায়ের স্নায়ু ঠিক আছে কি না, বোঝার জন্য অনেক সময় কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষারও প্রয়োজন হয় না। চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি একটি আলপিন বা একটি টিউনিং ফর্ক ব্যবহার করেই হাতপায়ের অনুভূতি যাচাই করে নিতে পারবেন।

-এজেড


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ