বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


পাস হওয়া বাজেট ‘প্রতিক্রিয়াশীল’: রিজভী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের (২০১৭-১৮) পাস হওয়া বাজেটের সমালোচনা করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি এ বাজেটকে 'প্রতিক্রিয়াশীল' এবং 'ভ্যাট আইন' দুই বছর স্থগিত করাকে 'অশুভ ভবিষ্যতের ইঙ্গিতবাহী' বলে অভিহিত করেছেন।

তিনি বলেন, 'মূলত লুটপাটের জন্যই জাতীয় সংসদে বিশাল ঘাটতির বাজেট পাস করা হয়েছে। গণবিরোধী এ বাজেটে উন্নয়ন খাতে যে ব্যয় ধরা হয়েছে তার বেশিরভাগই লুটপাট হবে।' বিএনপি এই 'প্রতিক্রিয়াশীল বাজেটের' তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

রিজভী বলেন,  'এই আইন (ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আইন) দুই বছরের জন্য স্থগিত করা অশুভ ভবিষ্যতের ইঙ্গিতবাহী। সংসদে প্রস্তাবিত যে বাজেট পাস হলো সেটি গণবিরোধী, উদ্ভটতামাশা, জীবনযাত্রার মানকে নিম্নমুখীকরা, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিসহ মানব উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, জনগণের পকেট কাটার বাজেট।'

২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট পাস

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট পাসের পর রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রতিক্রিয়ায় রুহুল কবির রিজভী এসব কথা বলেন।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট বৃহস্পতিবার সকালে সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়। আগামী ১ জুলাই থেকে এ বাজেট কার্যকর হবে। গত ১ জুন সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

 

ভিক্ষার অনুদান ও পরনির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আসা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সংসদে যে বক্তব্য রেখেছেন তাকে 'ভাওতাবাজি' বলে দাবি করেন রিজভী। তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী গতকাল (বুধবার) সংসদে বলেছেন ভিক্ষা অনুদানের ওপর নির্ভরশীলতা থেকে তারা বেরিয়ে এসেছেন। তারা নাকি নিজস্ব আর্থিক ক্ষমতা নির্মাণ করেছেন। অথচ এবারই বাজেটের ঘাটতি মোকাবেলায় বিদেশি ঋণ ৪৫ হাজার ৪২০ কোটি টাকা আর অনুদান হিসেবে ৫ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে বলে বাজেটে বলা হয়েছে। এর প্রভাবে বিনিয়োগযোগ্য অর্থ হ্রাস পেতে পারে এবং সুদ পরিশোধের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। ফলে আর্থিক ব্যবস্থাপনা চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়বে। এতে প্রতীয়মান হয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল ভাওতাবাজি।'

সংসদà