মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী কঠোর পর্দা মেনেও সেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় সৌদি অধ্যাপক নাজলা রাদ্দাদি আল-হাইআতুল উলয়ায় চাকরি, আবেদন ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’ 

হেফাজতে ইসলামকে এনসিপির তিন নারী নেত্রীর লিগ্যাল নোটিশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

প্রকাশ্য জনসভায় নারীর প্রতি অবমাননার অভিযোগে হেফাজতে ইসলামকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তিন নেত্রী ও তিন নারী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

আজ সোমবার বিকেলে জাতীয় নাগরিক পার্টির দুই নেত্রী সৈয়দা নীলিমা দোলা ও দ্যুতি অরণ্য চৌধুরীর দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নারী সংস্কার কমিশনকে সামনে রেখে পাবলিক স্পেসে ‘বেশ্যা’ বলার অধিকার কারও নেই—এই মর্মে আজ সোমবার দুপুরে এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয় বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

সৈয়দা নীলিমা দোলা, দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী ছাড়াও লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো এনসিপির আরেক নেত্রীর নাম নীলা আফরোজ। অন্যদিকে আরও তিনজন নারী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব লিগ্যাল নোটিশে স্বাক্ষর করেন, তাঁরা হলেন উম্মে রায়হানা, উম্মে ফারহানা ও ক্যামেলিয়া শারমিন চূড়া।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নারীদের প্রতি এই ধরনের নিপীড়নের সুযোগ নতুন বাংলাদেশে নেই। বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থানের পর সেই সুযোগ একেবারেই থাকছে না। জুলাই অভ্যুত্থানে নারীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই নতুন বাংলাদেশ সবার হবে।

এতে আরও বলা হয়, সরকারের প্রস্তাবে যাঁরা নারী সংস্কার কমিশন গঠন করতে গিয়েছেন এবং কাজ করেছেন, তাঁদের এ ধরনের অপমান বাংলাদেশের নারীদের জন্য ভয়ংকর। নারীর স্বাধীনতা ও জীবনমানের ওপর যে প্রস্তাব বানানো হয়েছে, সেটি নিয়ে দ্বিমত পোষণের সুযোগ থাকছে, কিন্তু গালি দেওয়ার সুযোগ নেই।

বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতার কথাও তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে হেফাজতে ইসলামকে আওয়ামীসংশ্লিষ্ট সংগঠন উল্লেখ করে এই সংগঠন কীভাবে জনসম্মুখে সমাবেশ করে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় এতে।

বিবৃতিতে প্রশ্ন তোলা হয়, ইসলামি যে আইন দেশে আছে, সে অনুযায়ী কী হেফাজতের নেতারা তাঁদের পরিবারের নারীদের সম্পত্তি দিয়েছেন?

এনসিপি নেত্রী সৈয়দা নীলিমা দোলা লিগ্যাল নোটিশের বিষয়ে বলেন, ‘সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের সঙ্গে যে কারও দ্বিমত থাকতেই পারে। কিন্তু এভাবে একটি পাবলিক সমাবেশে নারীদের বেশ্যা বলা যাবে না। এটা নারীদের অধিকার ও লড়াইয়ের প্রতি অবমাননা। কত নারী আমাদের আশপাশে নিপীড়িত হচ্ছে, তাদের আমরা কী বার্তা দিচ্ছি। আমাদের দলীয় অবস্থানও এটার বিপক্ষে। এটা একধরনের নিপীড়ন।’

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ