মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬

স্বাধীনতার পর হারিয়েছে ৬০০ নদী!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

Farakka

আওয়ার ইসলাম : স্বাধীনতার পর ১৩০০ নদ-নদী থেকে এখন কোনো রকম ৭০০টি টিকে রয়েছে। এর মধ্যেও প্রবাহমান নদীর সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে নদী বাঁচাও আন্দোলনের উদ্যোগে ‘নদ-নদী রক্ষায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

তাই ঢাকার আশপাশ এলাকার মাত্রাতিরিক্ত দূষণ রোধে জরুরি ভিত্তিতে স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়া দরকার। পাশাপাশি তা এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা জরুরি”

সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মো. আতাহারুল ইসলাম, প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন।

বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের পক্ষ থেকে সন্বয়কারী মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন নদী রক্ষায় সরকারে কাছে ১৬টি সুপারিশ তুলে ধরেন।

Burigonga

এর মধ্যে স্বল্প মেয়াদে নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর, কৃত্রিম লেক, সমুদ্র সৈকতে ইঞ্জিন চালিত নৌকার পোড়া মবিল, তেল, গৃহবর্জ্য ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক বোতল ও পলিথিনসহ অপচনশীল বর্জ্য ফেলা বন্ধে আইনগত পদক্ষেপ ও জনসচেতনতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।

নদীর সীমানা রক্ষায় স্থায়ী সার্ভে কমিটি গঠন করে তিন মাস পর পর নদীর পাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করে নৌ মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও পরিবেশবাদী সংগঠনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া এবং অবৈধ দখল থেকে নদী রক্ষায় দখলদারদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।

মধ্য মেয়াদী পাঁচটি সুপারিশের মধ্যে রয়েছে- সুপেয় পানির জলাধারা সৃষ্টির জন্য ভরাট ও অর্ধ ভরাটকৃত মজা পুকুর এবং দীঘিগুলো খনন ও পুনঃখননের আওতায় আনা, মাঝারি ও ছোট নদী-নালা, খাল-বিলগুলোকে সামাজিক বনায়নের আওতায় আনা।

-এআরকে

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ