বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

আল্লাহ করিম মসজিদের ২০ কোটি টাকা লুট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

thanaআওয়ার ইসলাম: আল্লাহ করিম জামে মসজিদের বিগত কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কাদের মসজিদের দোকান বরাদ্দ ও ভাড়া বাবদ ২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি জামাল উদ্দিন মীর জানান, মসজিদের ওয়াকফ এস্টেটের পক্ষে কাঁটাসুরের জহির হোসেন গত ১৫ নভেম্বর যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন।

জহিরের অভিযোগ, ২০০৫-২০১৬ মেয়াদে মসজিদ কমিটিতে থাকার সময় আব্দুল কাদের ওই টাকা আত্মসাত করেছেন।

মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে ওয়াকফ এস্টেটের ওই মসজিদের নিচতলায় ১০৪টি দোকান রয়েছে। এছাড়া দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ তলার কিছু অংশ বাণিজ্যিক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে।

এসব দোকান ও প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ দেওয়ার নাম করে আব্দুল কাদের পৌনে ২ কোটি টাকা এবং দোকান থেকে আসা ভাড়াসহ প্রায় ২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়।

জহির বলছেন, কাদেরের স্বাক্ষরে দোকান বরাদ্দ ও ভাড়া আদায় হলেও তা মসজিদ তহবিলে জমা পড়েনি। স্বাক্ষরসহ ওই লেনদেনের প্রমাণ পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে।

কাদের ওয়াকফ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই নিয়ম বহির্ভুতভাবে প্রতিটি দোকানকে ‘৯৯ বছরের জন্য লিজ দেন’ বলেও মোহাম্মদপুর থানায় করা মামলায় বলা হয়েছে।

জহির জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ ওই মসজিদ কমিটি বাতিল করে ওয়াকফ কর্তৃপক্ষ তাকেসহ কয়েকজনকে দায়িত্ব দিয়েছে। আর ওয়াকফ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই তিনি এ মামলা করেছেন।

এদিকে মামলার আসামি আব্দুল কাদের সোমবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছিলেন বলে বাদীপক্ষের আইনজীবী আন্না খানম কলি জানিয়েছেন।

“আসামি গোপনে আদালতে এসে জামিনের আবেদন করছে জানতে পেরে আমরা আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের বিরোধিতা করি। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা পরে তাদের আবেদন ‘নজিরবিহীনভাবে’ উঠিয়ে নিয়ে যান।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাদেরের আইনজীবী আইয়ুবুর রহমান বলেন, ‘শুনানির পর আমরা আদেশের অপেক্ষায় ছিলাম। আদালত আদেশ না দেওয়ায় আমরা নথি ফেরত নিয়েছি। আদালত চাইলে নথি ফেরত দিতে পারে’  বলে জানান তিনি।

কাদের আত্মগোপনে থাকায় এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ওসি জামাল বলেন, ‘এরইমধ্যে কয়েকবার তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

সূত্র: বিডিনিউজ

এবিআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ