বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

ভারতে নোট বাতিলে ভোগান্তিতে দেওবন্দের শিক্ষার্থীরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ বিন রফিক
আওয়ার ইসলাম

deubond_noteভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের ঘোষণার পর ভোগান্তিতে দেশটির মানুষ। জীবনের স্বাভাবিক স্বাচ্ছন্দ ও গতিতেও ভাটা পড়েছে বেশ।

সাধারণ মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন বাজেট ও তার হিসেব-নিকেষ সম্পূর্ণ পণ্ড হয়ে গেছে। একই রকম বিপদের মুখোমুখি হচ্ছে দারুল উলুম দেওবন্দসহ দেশটির অন্যান্য মাদরাসার শিক্ষার্থীরা।

দারুল উলুম দেওবন্দের পাশে মোট তিনটি এটিএম বুথ আছে। তবে এর মধ্যে একটি সপ্তাহখানেক ধরে বন্ধ। আর বাকি দুটোর মধ্যে রুপি স্বল্পতার কারণে ছাত্ররা বেশ জটিলতার মধ্যে পড়েছে।

মাঝখানে বিএমবির মেশিন কিছুক্ষণের জন্য চালু হলে তাতে নোট পরিবর্তনের জন্য শিক্ষার্থীদের বিশাল লাইন হয়ে যায়। সেই লাইনই প্রমাণ করে প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের কী ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে!

আর এই নোট পরিবর্তনের জন্য বুথের সামনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময়ও অপচয় হচ্ছে।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে সেখানকার একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সিদ্ধান্তের ফলে গোটা ভারতের অর্থনীতিতে যেমন বাজে প্রভাব পড়েছে পাশাপাশি সেখানকার মাদরাসা ছাত্রদের নিজস্ব প্রয়োজন পূরণের জন্য ব্যাংকের দুয়ারে যেতে যেতে তারাও বেশ বিরক্ত ও অস্থির হয়ে পড়ছেন। রুপি পরিবর্তন করা এবং ব্যাংক একাউন্ট থেকে অর্থ উত্তোলন করার জন্য অনেক সময় ব্যয় করতে হচ্ছে তাদের। অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে, ঘন্টা চারেক যাবত দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে অনেককেই।

deubond_note2

বহুসংখ্যক শিক্ষার্থীর বক্তব্য, এমন অনেক ছাত্র আছে যাদের নাস্তা ও অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণেরও অর্থ নেই। বাজারে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে কিংবা ঋণবাবদ  কোনো দোকানদার এখন পন্য দিতেও রাজি নয়।

ছাত্রদের কথানুসারে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া সত্ত্বেও দোকানদাররা ১০ রুপি পয়সাও নিচ্ছে না।

এতে কোনো সন্দেহ নেই, প্রধানমন্ত্রীর এই ফয়সালার কারণে গোটা দেশে অর্থনৈতিক জটিলতা যেমন সৃষ্টি হয়েছে তেমনি  মাদরাসা ছাত্ররাও নিজেদের প্রয়োজনীয় চাহিদা সম্পন্ন করার জন্য নিজেদের মূল্যবান সময় লাইনে দাঁড়িয়ে নষ্ট করতে বাধ্য হচ্ছেন।

আরআর

আরো পড়ুন: এই বাড়িটিই বেফাক মহাসচিবের


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ