বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মোকতাদির চৌধুরী এমপির শোক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

kamal

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড  বেফাকের মহাসচিব মাওলানা আবদুল জব্বারের ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ।

শুক্রবার বিকেলে আওয়ার ইসলামকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক প্রকাশের বিষয়টি জানান রাজধানীর কাওরান বাজারের আম্বরশাহ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মাজহারুল ইসলাম।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একজন বিশিষ্ট আলেমের মৃত্যু আমাদের জন্য দু:খের। তিনি বহু মানুষের অভিভাবক ছিলেন। ইতোপূর্বে আমি মাওলানা আবদুল জব্বারকে দেখতে গিয়েছিলাম এবং তার স্বাস্থ্যের খোঁজ খবর নিয়েছি। আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন।

এদিকে আওয়ার ইসলামের সঙ্গে এক ফোনালাপে ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া ৩ আসনের এমপি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী শোক প্রকাশ করে বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় মাওলানা আবদুল জব্বার মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সহায়তা করেছেন। একাত্তরে যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় মুক্তিযোদ্ধাদের যে ক্যাম্প ছিল সেখানে প্রশিক্ষণার্থীদের নানাভাবে সাহায্য করেন তিনি। অনেক আলেম এবং ছাত্রদের প্রশিক্ষণ করিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে অবদান রেখেছেন নিরহঙ্কারী, সাদা মনের এ আলেম।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের এই সহযোগী মানুষটি ২০০৮ সালে ঢাকার চৌধুরীপাড়া মাদরাসায় আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। পাশাপাশি বেফাকের পক্ষ থেকে মাদরাসাগুলোতে পতাকা উড়ানোর জন্য প্রজ্ঞাপনও জারি করেছিলেন। দেশ ও স্বার্বভৌমত্বের জন্য তার এ মায়া সব সময় স্মরণীয়।

মোকতাদির চৌধুরী বলেন, বাংলা সাহিত্যে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অগ্রসরতার জন্য তার নানা উদ্যোগ আমরা দেখেছি। যা বিভিন্ন মহলে বেশ সমাদৃত হয়েছে। তার ইন্তেকালে জাতি একজন অভিভাবককে হারাল। আল্লাহ তাকে আখেরাতে শান্তিতে রাখুন এবং তার পরিবারকে সুখে রাখুন।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ