সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যার্তদের পাশে ইসলামী আন্দোলন, চলছে ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনে একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা মুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ  বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল পাঁচ বছরে মদিনা জিয়ারত করলেন সাড়ে ১২ কোটি ওমরাহ যাত্রী বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে গেলেন আমিরে মজলিস ইসলামাবাদে শীর্ষ আলেমদের সম্মেলনে মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর 

নৈতিকতাহীন শিক্ষার ফলে সন্তানের হাতে মা বাবা দ্বগ্ধ হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

Islami-Andolonআওয়ার ইসলাম: নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষা ব্যবস্থার কুফল সর্বত্র ফুটে উঠছে। ফলে সন্তানের হাতে মাতা-পিতাকে হত্যা কিংবা দ্বগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করতে হচ্ছে। নৈতিক ও আদর্শিক শিক্ষা ছাড়া মানুষকে মনুষ্যত্ববোধ শিক্ষা দেয়া সম্ভব নয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানা শাখার নেতৃবৃন্দ গতকাল এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।

নেতারা বলেন, প্রতিনিয়ত সন্তানের হাতে মাতাপিতা, মাতাপিতার হাতে সন্তান হত্যা কিংবা নারী নির্যাতন-নিপীড়ন, ইভটিজিং, ধর্ষনসহ নানাবিধ পাপাচারে লিপ্ত হচ্ছে মানুষ। অপরদিকে চরিত্র বিধ্বংসী অশ্লীল ছায়াছবি, নাটক ইত্যাদি আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকারক বর্তমান বিতর্কিত শিক্ষানীতি, শিক্ষাআইন এবং হিন্দুত্ববাদী ও নাস্তিক্যবাদী পাঠ্যসূচী। এটা বাতিল করে নতুনভাবে সিলেবাস প্রণয়ন না করলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একেবারে ধ্বংস হয়ে যাবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানা শাখার উদ্যোগে কেরাণীগঞ্জস্থ অফিস মিলনায়তনে থানা সভাপতি আলহাজ্ব সুলতান আহমদ খানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী মুহাম্মদ কায়েস উদ্দীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা জেলা শাখার জয়েন্ট সেক্রেটারী অধ্যাপক ডা. কামরুজ্জামান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুফতি ইবরাহীম শরীফসহ থানা ও ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ।

ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী অব্যাহত সন্ত্রাস বন্ধ ও নাস্তিক্যবাদী ধর্মহীন শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিলের দাবি করে বক্তাগণ বলেন, সিলেবাস থেকে অনেক মুসলিম কবি-সাহিত্যিকদের ইসলামি ভাবধারায় রচিত প্রবন্ধ, গল্প ও কবিতা পাঠ্য বই থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। নতুন বছর আসার আগেই সিলেবাস সংশোধন করতে হবে। অন্যথায় পীর সাহেব চরমোনাই’র নেতৃত্বে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ