সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎অতিবৃষ্টি হলে যে দোয়া পড়বেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত বন্যার্তদের পাশে ইসলামী আন্দোলন, চলছে ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনে একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা মুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ  বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল পাঁচ বছরে মদিনা জিয়ারত করলেন সাড়ে ১২ কোটি ওমরাহ যাত্রী বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে গেলেন আমিরে মজলিস ইসলামাবাদে শীর্ষ আলেমদের সম্মেলনে মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই

লাশ নেয়নি কেউ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

gulshan12আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জিম্মি উদ্ধার অভিযানে নিহত ছয়জনের লাশ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমঘরে রাখা হয়েছে। লাশ কেউ নিতে আসেননি বলে জানায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর দায়িত্বশীল সূত্র।

লাশের ময়নাতদন্তে জানা গেছে, চারজন গুলিতে এবাং দুজন গুলি ও বোমার আঘাতে মারা গেছে। লাশ নিতে হলে তা পুলিশের মাধ্যমে নিতে হবে। নিহত কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা জানান, তাঁদের পরিবারের সন্তানদের ঘটনায় তাঁরা লজ্জিত, মর্মাহত। সবাই ভেঙে পড়েছে। তাই কেউ লাশ আনতে যাননি।

পুলিশের আইজিপি বলেন, 'অভিযানে যেসব অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন তারা সকলেই তালিকাভুক্ত 'জঙ্গি'। জঙ্গি নির্মূলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অভিযান আরও জোরদার করা হবে। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ঐক্যমত গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।'

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাতে গুলশানে হলি আর্টিজান নামের স্প্যানিশ রেস্তোরাঁয় সাতজন সন্ত্রাসী হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা রেস্তোরাঁটিতে ঢুকে দেশি-বিদেশি অনেক লোককে জিম্মি করে। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর 'থান্ডার বোল্ট' কমান্ডো অভিযানের মধ্য দিয়ে জিম্মি সঙ্কটের অবসান হয়। পুরো ঘটনায় ২০ জিম্মি, ছয় সন্ত্রাসী ও দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন এবং কমপক্ষে ৪০ জন পুলিশ আহত হন।

নিহত সন্ত্রাসীদের ব্যক্তিগত পরিচয়

রোহান: রোহান ইবনে ইমতিয়াজের বাবা এস এম ইমতিয়াজ খান ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা। ঢাকার স্কলাসটিকা থেকে ‘এ’ লেভেল শেষ করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন রোহান।

মোবাশ্বের: বাবা মীর এ হায়াৎ কবির একটি টেলিকম প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে চাকরি করেন। মীর সামেহ মোবাশ্বের স্কলাস্টিকা স্কুল থেকে ‘ও’ লেভেল পাস করেছে। ‘এ’ লেভেল পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

নিরবাস: ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামের ছেলে নিবরাস ইসলাম মনোশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মালয়েশিয়া ক্যাম্পাসের ছাত্র ছিলেন।

খায়রুল: বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার চুতিনগর ইউনিয়নের ব্রিকুষ্টিয়া গ্রামের দিনমজুর আবু হোসেনের ছেলে খায়রুল। খায়রুল ডিহিগ্রাম ডিইউ সেন্ট্রাল ফাজিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাস করেন।

শফিকুল: শফিকুলের বাবা বদিউজ্জামান কৃষিশ্রমিক। শফিকুল ধুনটের গোঁসাইবাড়ি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও গোসাইবাড়ি ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে ভর্তি হন।

/আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ