বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
পুকুরে গোসলে নেমে প্রাণ গেল দুই মাদরাসা ছাত্রের দুই হিন্দু অনাথ ভাইকে মানুষ করে বিয়ে দিলেন মুসলিম দম্পতি বিজয় দিবসে ৮ হাজার ২৯৯ বন্দিকে মুক্তি দিলো তালেবান সরকার ইউপি নির্বাচনে ফের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন রফিকুজ্জামান অনু নূরানী তালীমুল কুরআন বোর্ডের মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি চলছে জাতীয় সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ফুটপাত দখল করে ব্যবসা নয়, নির্দেশনা না মানলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএসসিসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত সংসদ মাছ ধরতে গিয়ে নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ‘জাতিসংঘ সভাপতির পদ কোনো এক দেশের স্বার্থে ব্যবহারের সুযোগ নেই’ 

‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত দুই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

Bondhuk20160214024456স্টাফ রিপোর্টার : জয়পুরহাট সদর উপজেলায় রাতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই যুবক নিহত হন। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নের গোপালপুর-কোঁচকুড়ি সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন মোহাম্মদ সোহেল (৩৫) ও মুনির হোসেন (৩২)। তাঁদের মধ্যে সোহেল ভাদসা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এ কে আজাদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। আর মুনির হোসেন তাঁর সহযোগী বলে পুলিশ দাবি করেছে।

সোহেল ভাদসা ইউনিয়নের ছাওয়ালপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। মুনির হোসেন কোঁচকুড়ি গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে। তাঁদের মৃতদেহ জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য, সোহেল ও মুনিরের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ফরিদ হোসেন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মশিউর রহমান ও কনস্টেবল মোস্তাফিজ আহত হন। তাঁদের জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি গুলি, একটি ম্যাগাজিন ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

জয়পুরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি-সার্কেল) অশোক কুমার পাল জানান, ভাদসা ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এ কে আজাদ হত্যা মামলার আসামিরা তাঁদের গ্রামের বাড়ি কোঁচকুড়ি গ্রামে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর পায় পুলিশ। এর ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাতে জয়পুরহাট সদর থানার ওসি ফরিদ হোসেন ঘটনাস্থলের দিকে যান। গোপালপুর বাজার অতিক্রম করে কোঁচকুড়ি সড়কে ওঠামাত্র আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি ছোড়ে। ওই সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়।

খবর পেয়ে আশপাশের গ্রামের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে ছুটে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরে গোপালপুর-কোঁচকুড়ি সড়কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

গত ৪ জুন স্থানীয় দুর্গাদহ বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে নিজ বাড়ি কোচকুঁড়ি গ্রামে ফিরছিলেন এ কে আজাদ। পথে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে ও গুলি করে জখম করে। ওই সময় নয়ন চন্দ্র নামে এক পথচারীকেও গুলি করে মুখোশধারীরা। গুলিতে আহত চেয়ারম্যান আজাদ গত রোববার ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ