সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬ ।। ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২০ রমজান ১৪৪৭


‘স্বপ্নের চারাগুলো একদিন ইনশাআল্লাহ মহীরুহ হবে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আস-সুন্নাহ দাওয়া অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (As-Sunnah Dawah and Research Institute) পরিচালিত তাখাচ্ছুস বিভাগের ভর্তি পরীক্ষার চিত্র শেয়ার করে সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট দাঈ শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন- স্বপ্নের অনেকগুলো চারা রোপণ করেছি, একদিন ইনশাআল্লাহ মহীরুহ হবে। তিনি জানান, এখান থেকে বাছাইকৃত শিক্ষার্থীরা এক বছর মেয়াদি তাখাচ্ছুস বিভাগে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন। এরপর তারা ফলাফল ও পূর্বনির্ধারণের ভিত্তিতে উচ্চতর গবেষণার পাঁচটি বিভাগের কোনো একটি বিভাগে ভর্তি হবেন।

সেই বিভাগগুলো হলো : (১) দাওয়াহ ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব, (২) কুরআনিক সায়েন্স ও তাফসির, (৩) ফিকহ ও ইফতা, (৪) ইসলামি অর্থনীতি, (৫) ইসলামের ইতিহাস।

শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেন- সমাজ-সভ্যতার বহুমুখী সংকটের এই যুগে সমকালীন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারঙ্গম দাঈ গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। এই যুগসন্ধিক্ষণে এসে, সময়ের ভাষা বুঝতে সক্ষম, সমকালীন মতবাদ ও আধুনিক সমস্যা বুঝে তার আলোকে সমাধান দেয়ার মতো এমন কিছু বিজ্ঞ আলেম-দাঈ প্রয়োজন, যারা সুনির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর পাণ্ডিত্য অর্জনের পাশাপাশি যুগ-চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। আর সে লক্ষ্যেই আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের বিশেষ সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘আস-সুন্নাহ দাওয়াহ এ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ মেধাবী নবীন আলেমদের জন্য চালু করেছে ৩ বছর মেয়াদী উচ্চশিক্ষার ৫ টি তাখাছ্ছুছ (বিশেষায়িত) বিভাগ।

ইতোপূর্বে ‘পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন ইসলামিক দাওয়াহ’র দুটি কোর্সের সফল ও সুখকর অভিজ্ঞতা থেকে এবার আমরা শুরু করতে যাচ্ছি নতুন এই পথচলা।

৩ বছর মেয়াদী উচ্চশিক্ষার ৫ টি তাখাছ্ছুছ (বিশেষায়িত) বিভাগগুলো হলো : দাওয়াহ ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব, কুরআনিক সায়েন্স ও তাফসির, ফিকহ ও ইফতা, ইসলামি অর্থনীতি, ইসলামের ইতিহাস।

এই উদ্যোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো—প্রতিটি বিভাগের প্রথম বর্ষ হবে একটি কমন প্রস্তুতিমূলক বর্ষ, যেখানে সকল শিক্ষার্থী ইসলামী মৌলিক শাস্ত্রের পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞানশাখার সঙ্গে পরিচিত হবে।

প্রথম বর্ষে উলুমুল কুরআন, উলুমুল হাদিস, উসুলুল ফিকহ, দাওয়াহ ও ধর্মতত্ত্বের পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ বিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান ও কম্পিউটার—এসব বিষয়ে মৌলিক ধারণা দেওয়া হবে। অর্থাৎ, প্রথম বছরটি হবে আলেমদের জন্য একটি বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তি নির্মাণের বছর।

যৌথ বর্ষের পর শিক্ষার্থীরা ফলাফল ও পূর্বনির্ধারণের ভিত্তিতে উচ্চতর গবেষণার পাঁচটি বিভাগের কোনো একটি বিভাগে ভর্তি হবেন।

পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নিয়মতান্ত্রিক জেনারেল পড়াশোনোর সুব্যবস্থাও থাকবে অবারিত। আগ্রহীরা চাইলে তা গ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়া দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে বিশেষ শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা।

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ