বেসরকারি মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে মাদ্রাসার প্রভাষক (সংশ্লিষ্ট বিষয়) পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীকে শিক্ষাজীবনের কোনো স্তরেই একটির বেশি তৃতীয় শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ থাকা চলবে না।
রোববার (৮ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, গত ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা মূল নীতিমালার পরিশিষ্ট-ঘ এর বেশ কিছু ক্রমিকের নিয়োগ যোগ্যতা সংশোধন করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রভাষক পদের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি ২য় শ্রেণি বা সমমানের স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে একটি বিশেষ শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে যে, সর্বশেষ ডিগ্রি ব্যতীত শিক্ষা জীবনের অন্যান্য স্তরে একাধিক ৩য় শ্রেণি বা বিভাগ গ্রহণযোগ্য হবে না। অর্থাৎ, পুরো শিক্ষা জীবনে সর্বোচ্চ একটি ৩য় শ্রেণি থাকলেও প্রার্থী আবেদনের সুযোগ পাবেন।
নীতিমালায় উল্লিখিত পদগুলোর মধ্যে রয়েছে কামিল মাদ্রাসার হাদিস, তাফসির, ফিকহ ও আদব বিভাগের প্রভাষক এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ের প্রভাষক পদ। এছাড়াও ফাজিল (সম্মান) ও কামিল (মাস্টার্স) পর্যায়ের আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল হাদিস, দাওয়াহ, আরবি ভাষা ও সাহিত্য এবং আল ফিকহ বিষয়ের প্রভাষক পদের যোগ্যতায় এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষকদের ক্ষেত্রেও সমমানের যোগ্যতার শর্ত কার্যকর হবে।
বয়সসীমার ক্ষেত্রে নীতিমালায় জানানো হয়েছে যে, চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩৫ বছর। তবে যারা আগে থেকেই সমপদে ইনডেক্সধারী হিসেবে কর্মরত আছেন, তাদের জন্য এই বয়সসীমা শিথিলযোগ্য হবে। বেতন কাঠামোর বিষয়ে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষকরা ৯ম গ্রেডে ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা স্কেলে বেতন ও অন্যান্য সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।
আইএইচ/