ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মরা মুরগি বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ ও ক্রেতার কাছে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে বাপ্পী মোল্লা নামে এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বোয়ালমারী পৌর মাছবাজারসংলগ্ন স্বর্ণকারপট্টি সড়কের পোল্ট্রি মুরগির মার্কেটে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রকিবুল হাসান।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মেসার্স আলামিন পোল্ট্রি হাউসে একটি মরা মুরগি বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। এক নারী ক্রেতা তিনটি মুরগি কেনার পর সেগুলো ড্রেসিং করতে দিলে দোকানের কর্মীরা জীবন্ত মুরগির পরিবর্তে আগে থেকে সংরক্ষণ করে রাখা একটি মরা মুরগি জবাই করে দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি দোকানের সংস্কারকাজে নিয়োজিত এক কাঠমিস্ত্রির নজরে আসে।
পরে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে বোয়ালমারী থানা-পুলিশ বিষয়টি ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানায়। খবর পেয়ে আদালত ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। সংশ্লিষ্টরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলে বাপ্পী মোল্লাকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে জরিমানার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
তবে বাপ্পী মোল্লার বাবা রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে দাবি করেন, অতিরিক্ত গরমে একটি মুরগি অসুস্থ হয়ে মারা যায়। সেটি জবাই করে নিজেদের খাওয়ার জন্য রাখা হয়েছিল, বিক্রির উদ্দেশ্যে নয়।
এ বিষয়ে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রকিবুল হাসান বলেন, জনস্বার্থে ভেজাল, অনিরাপদ ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এমএইচ/