বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কলকাতায় আগুনে মারা যাওয়া বাংলাদেশিদের পরিচয় প্রকাশ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরার মাধ্যমে একদিনে ৪৪৯ মামলা পাঠ্যবই থেকে হাদিসের কিছু অংশ বাদ দিলো সৌদি `ফ্যামিলি কার্ড আর কৃষি কার্ডের অজুহাতে জনগণকে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করবেন না' শেষ হচ্ছে শায়েখ আহমাদুল্লাহর ‘শরয়ী সমাধান’ লাইভ শরিয়াভিত্তিক ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় ধাক্কা বেপরোয়া বাস পিষে মারল মাদরাসা ছাত্রকে ইসলামের ছায়ায় কিংবদন্তি ফুটবলার রবার্তো কার্লোস! পুলিশের লাঠিচার্জে ৩০ শিক্ষার্থী আহত, দারুল আরকামের চার দফা দাবি উচ্চস্বরে গানের প্রতিবাদ , পুলিশের লাঠিচার্জে দারুল আরকামের ৩০ শিক্ষার্থী আহত

দড়ি বেয়ে মসজিদে যাওয়া অন্ধ মুয়াজ্জিন আব্দুর রহমান আর নেই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দড়ি আর বাঁশ বেয়ে মসজিদে যাওয়া নাটোরের বড়াইগ্রামের ১২০ বছর বয়সী অন্ধ মুয়াজ্জিন আব্দুর রহমান মোল্লা আর নেই। রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিজ বাড়িতে মৃত্যু বরণ করেছেন।

তিনি বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। আজ সোমবার সকাল ৯টায় বড়দেহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জানাজার নামাজ শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: কওমি সিলেবাসে ‘সিরাত’ অবহেলার শিকার হওয়া বেদনাদায়ক: মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন

জানা যায়, প্রায় ২২ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় তিনি দৃষ্টিশক্তি হারান। এর ৬ বছর পর বড় ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে তিনি পবিত্র হজ পালন করেন। এরপর দেশে ফিরে নিজ গ্রামে ৫ শতাংশ জমির ওপর তৈরি করেন একটি পাকা মসজিদ। মসজিদের নামেই তিনি জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেন। এরপর নিজেই সেই মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। কিন্তু চোখে দেখতে না পাওয়ায় জটিলতা দেখা দেয় মসজিদে আসা-যাওয়া নিয়ে। সেই প্রতিবন্ধকতাও জয় করে ফেলেন শতবর্ষী এই বৃদ্ধ।

এজন্য সন্তানেরা বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত টেনে দেন দড়ি ও বাঁশ। এরপর দড়ি আর বাঁশের সাহায্যে নিয়মিত মসজিদে যেতেন তিনি।

এ ছাড়া বাঁশ ও দড়ি খুঁজে পেতে তিনি ব্যবহার করতেন একটি লাঠিও। এভাবে কয়েকদিন দেখিয়ে দেওয়ার পর আর কারও সাহায্য নিতে হয়নি শতবর্ষী এই বৃদ্ধকে। এরপর থেকে তিনি নিজেই দড়ি ও বাঁশের সাহায্যে বাড়ি থেকে মসজিদে যেতেন।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ