মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাওলানা উসমান ফয়েজীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’ মাওলানা মাসুদ আজহারের খোঁজে ৭০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা মাওলানা উসমান ফয়েজীর ইন্তেকালে হেফাজতের শোক বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে হেবা আইন পাস করতে হবে: জমিয়ত ‘দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট ও দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার’ বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময়ক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না: গাজী আতাউর রহমান ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের 'সীরাতুন্নবী (সা.) ফেস্টিভ্যাল ২০২৬' ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ড্রোন ধ্বংস 

বখাটেদের হাত থেকে ছাত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে মাদ্রাসা সুপার লাঞ্ছিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বরগুনার আমতলীতে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে জোর করে তুলে নেওয়ার চেষ্টা প্রতিহত করায় একদল বখাটের হাতে মাদ্রাসা সুপার মাওলানা আবু তাহের মারধরের শিকার হয়েছেন—এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

ঘটনাটি ঘটে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে মানিকঝুড়ি মোহাম্মদপুর মাহমুদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সামনে। এ ঘটনায় রাতেই সুপার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশ বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন মোশাররফ হোসেন হাওলাদারের ছেলে জোবায়ের হোসেন বাবু। বুধবার ছুটির পর ছাত্রীটি বাড়ি ফেরার পথে জোবায়ের ও তার সহযোগী ইমরান মোটরসাইকেলে করে তাকে জোর করে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। ছাত্রীটি দৌড়ে মাদ্রাসার সামনে আশ্রয় নিলে সুপার আবু তাহের ও শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম বখাটেদের বাধা দেন। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে সুপার আবু তাহেরকে মারধর করে এবং শিক্ষক ফরিদুল ইসলামকেও লাঞ্ছিত করে। ঘটনাস্থলে আরও ১০–১২ জন সহযোগী ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

মারধরে আহত আবু তাহের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। রাতেই তিনি জোবায়ের হোসেন বাবুকে প্রধান আসামি করে সাতজনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী ছাত্রী জানান, জোবায়ের তাকে নিয়মিত উত্ত্যক্ত করত। ঘটনার দিন বাড়ি ফেরার সময় তাকে জোর করে মোটরসাইকেলে তুলতে গেলে তিনি দৌড়ে মাদ্রাসায় ফিরে আসেন। তখনই সুপারকে মারধর করা হয়। তিনি বখাটেদের শাস্তি দাবি করেন।

মাদ্রাসা সুপার আবু তাহের বলেন, ছাত্রীকে রক্ষা করতে গিয়ে আমাকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছি।

আমতলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ