শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ।। ১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৫ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
ইসরায়েলের-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাল ইরান আগামীকাল উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে নেওয়া হবে সিঙ্গাপুর মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক সমীকরণ ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবার হাদির খুনিদের পালাতে সহায়তাকারীকে গ্রেপ্তার করল ভারত ট্রেনে স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালু করল বিএসসিএল ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: ডিসি আমিনুল এত ক্যাডেট ও ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসা লইয়া আমরা কী করিব? ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজে হামলার জবাব দেওয়া হবে: ইরানি সেনাপ্রধান ‘ঈদযাত্রা সহজ করতে পরিবহন সিন্ডিকেট কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করুন’ সংবিধান সংস্কারে অবিলম্বে আলাদা অধিবেশন আহ্বান করুন: খেলাফত মজলিস

রাজারবাগে পুলিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুল (ডিটিএস) থেকে একজন পু‌লিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম আফতাব উজ্জামান রিগ্যান (৩৭)। তি‌নি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ছিলেন। বর্তমানে কর্মস্থল ছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সে।

মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে পল্টন থানা পুলিশ। পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামিম হাসান বলেন, সকালের দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে ছয় তলা থেকে রুমের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। রুমের ফ্যানের সাথে মাফলার পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগান ছিল তার।

আফতাবের ব্যাচমেটরা জানান, ‘৩৫তম আউটসাইড ক্যাডেট-এসআই’-এর ট্রেনিং শেষে ২০১৭ সালে যোগদান করেন তিনি। তার বাড়ি মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার হামিদপুর গ্রামে। বাবার নাম মৃত আনোয়ার উদ্দিন। তিনি সিআইডির ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলের ডরমেটরিতে এক রুমে মেস করে থাকতেন। তার রুমমেট ছিলেন এসআই অনুজ কুমার দাস। ৬ মাস আগে বিয়ে করেন আফতাব। তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে থাকেন।

রুমমেট অনুজ কুমার দাস বলেন, আমি মঙ্গলবার রাত ৮টায় ডিউটিতে চলে যাই। বুধবার সকাল ৯টার দিকে ডিউটি শেষ করে এসে দেখি রুম ভিতর থেকে বন্ধ৷ তখন আমি আফতাবকে ডাক দেই দরজা খুলার জন্য। কিন্তু অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেও কোন সাড়াশব্দ পাচ্ছিলাম না। এরপর বাইরে থেকে রুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে উঁকি দিলে দেখি, ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের সব পুলিশ সদস্যকে বিষয়টি জানাই।

তিনি বলেন, তাকে মাঝেমধ্যে রুমের বাইরে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা বলতে দেখতাম। যখন কথা বলা শেষে রুমে ফিরত, তখন বিমর্ষ লাগত। একবার তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কোন প্রবলেম কি না! তখন সে বলেছিল, একটা প্রবলেম আছে, তবে ঠিক হয়ে যাবে। এর বাইরে কখনও কিছু চোখে পড়েনি।

স্বজনরা জানান, আফতাবের এক ভাই লন্ডন প্রবাসী। আরেক ভাই পুলিশের এসআই। আর ২ বোনই চিকিৎসক।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ