বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ৯ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
রমজানে ৫১টি দেশে ১২ লাখ মানুষ বিনামূল্যে ইফতার পাবেন ঢাকা-৫ আসনে রাতভর হাতপাখার ব্যানার সাঁটানোর কর্মসূচি ফেনীতে ইমাম সম্মেলন, গণভোটের প্রচারে ইমামদের সহযোগিতা কামনা  লন্ডনে গোলটেবিল আলোচনা, ধানের শীষ ও খেজুর গাছের বিজয় নিশ্চিতের আহ্বান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কুতুবদিয়ায় যৌথ মহড়া হাতপাখার প্রার্থীর মেয়ের ওপর দাঁড়িপাল্লার কর্মীদের হামলা, কঠোর ব্যবস্থার দাবি দক্ষিণবঙ্গের প্রখ্যাত আলেম মুফতি গোলাম রহমান আর নেই মুফতি মুবারকুল্লাহকে দেখতে হাসপাতালে আল-হাইয়ার প্রতিনিধি দল সাক্ষী ছাড়া কবুল বললে কি বিয়ে হয়ে যায়? কুরআন শিক্ষা বোর্ডের দাওরাকে স্বীকৃতি প্রদানের সুযোগ নেই: আল-হাইআতুল উলয়া

রাজারবাগে পুলিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুল (ডিটিএস) থেকে একজন পু‌লিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম আফতাব উজ্জামান রিগ্যান (৩৭)। তি‌নি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ছিলেন। বর্তমানে কর্মস্থল ছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সে।

মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে পল্টন থানা পুলিশ। পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামিম হাসান বলেন, সকালের দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে ছয় তলা থেকে রুমের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। রুমের ফ্যানের সাথে মাফলার পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগান ছিল তার।

আফতাবের ব্যাচমেটরা জানান, ‘৩৫তম আউটসাইড ক্যাডেট-এসআই’-এর ট্রেনিং শেষে ২০১৭ সালে যোগদান করেন তিনি। তার বাড়ি মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার হামিদপুর গ্রামে। বাবার নাম মৃত আনোয়ার উদ্দিন। তিনি সিআইডির ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলের ডরমেটরিতে এক রুমে মেস করে থাকতেন। তার রুমমেট ছিলেন এসআই অনুজ কুমার দাস। ৬ মাস আগে বিয়ে করেন আফতাব। তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে থাকেন।

রুমমেট অনুজ কুমার দাস বলেন, আমি মঙ্গলবার রাত ৮টায় ডিউটিতে চলে যাই। বুধবার সকাল ৯টার দিকে ডিউটি শেষ করে এসে দেখি রুম ভিতর থেকে বন্ধ৷ তখন আমি আফতাবকে ডাক দেই দরজা খুলার জন্য। কিন্তু অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেও কোন সাড়াশব্দ পাচ্ছিলাম না। এরপর বাইরে থেকে রুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে উঁকি দিলে দেখি, ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের সব পুলিশ সদস্যকে বিষয়টি জানাই।

তিনি বলেন, তাকে মাঝেমধ্যে রুমের বাইরে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা বলতে দেখতাম। যখন কথা বলা শেষে রুমে ফিরত, তখন বিমর্ষ লাগত। একবার তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কোন প্রবলেম কি না! তখন সে বলেছিল, একটা প্রবলেম আছে, তবে ঠিক হয়ে যাবে। এর বাইরে কখনও কিছু চোখে পড়েনি।

স্বজনরা জানান, আফতাবের এক ভাই লন্ডন প্রবাসী। আরেক ভাই পুলিশের এসআই। আর ২ বোনই চিকিৎসক।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ