মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাওলানা উসমান ফয়েজীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’ মাওলানা মাসুদ আজহারের খোঁজে ৭০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা মাওলানা উসমান ফয়েজীর ইন্তেকালে হেফাজতের শোক বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে হেবা আইন পাস করতে হবে: জমিয়ত ‘দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট ও দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার’ বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময়ক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না: গাজী আতাউর রহমান ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের 'সীরাতুন্নবী (সা.) ফেস্টিভ্যাল ২০২৬' ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ড্রোন ধ্বংস 

রাজারবাগে পুলিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুল (ডিটিএস) থেকে একজন পু‌লিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম আফতাব উজ্জামান রিগ্যান (৩৭)। তি‌নি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ছিলেন। বর্তমানে কর্মস্থল ছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সে।

মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে পল্টন থানা পুলিশ। পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামিম হাসান বলেন, সকালের দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে ছয় তলা থেকে রুমের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। রুমের ফ্যানের সাথে মাফলার পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগান ছিল তার।

আফতাবের ব্যাচমেটরা জানান, ‘৩৫তম আউটসাইড ক্যাডেট-এসআই’-এর ট্রেনিং শেষে ২০১৭ সালে যোগদান করেন তিনি। তার বাড়ি মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার হামিদপুর গ্রামে। বাবার নাম মৃত আনোয়ার উদ্দিন। তিনি সিআইডির ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলের ডরমেটরিতে এক রুমে মেস করে থাকতেন। তার রুমমেট ছিলেন এসআই অনুজ কুমার দাস। ৬ মাস আগে বিয়ে করেন আফতাব। তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে থাকেন।

রুমমেট অনুজ কুমার দাস বলেন, আমি মঙ্গলবার রাত ৮টায় ডিউটিতে চলে যাই। বুধবার সকাল ৯টার দিকে ডিউটি শেষ করে এসে দেখি রুম ভিতর থেকে বন্ধ৷ তখন আমি আফতাবকে ডাক দেই দরজা খুলার জন্য। কিন্তু অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেও কোন সাড়াশব্দ পাচ্ছিলাম না। এরপর বাইরে থেকে রুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে উঁকি দিলে দেখি, ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের সব পুলিশ সদস্যকে বিষয়টি জানাই।

তিনি বলেন, তাকে মাঝেমধ্যে রুমের বাইরে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা বলতে দেখতাম। যখন কথা বলা শেষে রুমে ফিরত, তখন বিমর্ষ লাগত। একবার তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কোন প্রবলেম কি না! তখন সে বলেছিল, একটা প্রবলেম আছে, তবে ঠিক হয়ে যাবে। এর বাইরে কখনও কিছু চোখে পড়েনি।

স্বজনরা জানান, আফতাবের এক ভাই লন্ডন প্রবাসী। আরেক ভাই পুলিশের এসআই। আর ২ বোনই চিকিৎসক।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ