মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬ ।। ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাম ও হাম উপসর্গে শিশুমৃত্যু ৬০০ ছুঁইছুঁই ‘ইতিহাস গবেষণা ও ইসলামি চিন্তাচর্চায় সৈয়দ আব্দুল্লাহর অবদান অনন্য’ ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটিতে কোনো ধরনের অপসংস্কৃতি চলতে দেওয়া হবে না’ আসুন সন্তানকে শিক্ষিত বানানোর আগে মানুষ বানাই: শায়খ আহমাদুল্লাহ দীনের প্রকৃত পথ: তাবলীগ, শিবির নাকি আলেমগণের সোহবত জুন মাসে বৃষ্টিপাত কম হবে, থাকবে তাপপ্রবাহ মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা প্রকাশ রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত কার্যকরের আশ্বাস দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ইমামদের আর্থিক ও সামাজিক অবস্থান সুসংহত করতে কাজ করছে সরকার’ ১০২ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তুলেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস

কারা নির্যাতিত আলেম ইনআমুল হাসান ফারুকীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রহ.-এর বিশ্বস্ত খাদেম, খলিফা ও ছায়াসঙ্গী মাওলানা এনামুল হাসান ফারুকী বেশ কিছুদিন ধরে ক্যানসারে আক্রান্ত। হেফাজতের মামলায় গ্রেফতারের পর যে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হন, এর চূড়ান্ত ধকলেই তাঁর শরীরে বাসা বাঁধে মারণব্যাধি ক্যানসার। দেশে-বিদেশে চিকিৎসার পরও তিনি ধুঁকছেন। জীবনযন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে লজ্জা-সংকোচ ভুলে তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া ও আর্থিক সহযোগিতা প্রার্থনা করেছেন।

ফারুকীর দুঃখগাথা শুধু রোগের নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নির্যাতন ও অবিচারের এক বেদনাদায়ক কাহিনি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জের ধরে বাবুনগরীর অনুসারী হওয়ার কারণে তাঁকেও কারাগারে যেতে হয়। রিমান্ডে চলতে থাকে অকথ্য মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন। সেই নির্যাতনের ধকলেই তার শরীর ভেঙে পড়ে ভয়াবহভাবে। শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়লে তড়িঘড়ি জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। ডাক্তাররা তখনই জানিয়ে দেন, কমপক্ষে এক বছর সম্পূর্ণ বিশ্রাম ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

কিন্তু বিশ্রামের আগেই ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তাকে শারীরে ধরা পড়ে মারণব্যাধি ক্যানসার। শরীর আরও দুর্বল হয়ে যায়।

দেশে চিকিৎসার সব চেষ্টা ব্যর্থ হলে তাকে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে টানা পাঁচ মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর ভারতীয় চিকিৎসকরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আর কোনো চিকিৎসা এখানে সম্ভব নয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে থাইল্যান্ড আমেরিকা বা চীনে যেতে হবে।

এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতে চার দফা কেমোথেরাপি এবং চিকিৎসা বাবদ খরচ হয়েছে প্রায় ৩১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। তাছাড়া একের পর এক মামলা মোকাবিলায় ব্যয় হয়েছে আরও ৩৬ লাখ টাকা। এখনো অন্তত ৪০ থেকে ৪৫ লাখ টাকা প্রয়োজন পূর্ণ চিকিৎসার জন্য। অথচ ফারুকী প্রায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

অর্থাভাবে সর্বশেষ তিন মাস ধরে তার চিকিৎসা কার্যত বন্ধ আছে। ধীরে ধীরে শরীর আরও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, হাত-পায়ের রঙ পরিবর্তিত হচ্ছে। অর্থকষ্ট আর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ তাঁকে ভেতর থেকে ভেঙে দিচ্ছে।

সবশেষে মাওলানা এনামুল হাসান ফারুকী চিকিৎসা গ্রহণের তীব্র ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন—যদি আল্লাহ চাই আর মানুষের সহায়তা মিলে যায়, তবে তিনি আবার চিকিৎসার টেবিলে বসতে চান, জীবনকে বাঁচাতে শেষ চেষ্টা করতে চান।

দুঃসময়ের এই মরণদ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে লজ্জা-সংকোচ ভুলে তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া ও আর্থিক সহযোগিতা প্রার্থনা করেছেন। সন্তান ও পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ফারুকী এখন কেবল আল্লাহর রহমত ও মানবিক মানুষের সাহায্যের অপেক্ষায় আছেন।

ইতোমধ্যে মাওলানা মামুনুল হকসহ হেফাজত নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্টজনেরা মাওলানা এনামুল হাসান ফারুকীর জন্য সবার কাছে আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। তাঁর জন্য একটি ব্যাংক হিসাব খোলার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।

দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি বিনীত আবেদন, আল্লামা বাবুনগরী রহমতুল্লাহি আলাইহির এই বিশ্বস্ত ছায়াসঙ্গী, খলিফা ও সেবক মাওলানা এনামুল হাসান ফারুকীর জন্য আপনারা দোয়া করুন। যার যার অবস্থান থেকে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। হয়তো আপনার একটি সাহায্যই এই নিবেদিতপ্রাণ মানুষের জীবন রক্ষার শেষ অবলম্বন হতে পারে।

ইনআমুল হাসানের বিকাশ/নগদ/সেলফিন নাম্বার 01721238588

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার

Inamul Hasan faruqi

20502740205393103

Islami Bank,Pallobi Branch,

Mirpur,dhaka

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ