মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬ ।। ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাম ও হাম উপসর্গে শিশুমৃত্যু ৬০০ ছুঁইছুঁই ‘ইতিহাস গবেষণা ও ইসলামি চিন্তাচর্চায় সৈয়দ আব্দুল্লাহর অবদান অনন্য’ ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটিতে কোনো ধরনের অপসংস্কৃতি চলতে দেওয়া হবে না’ আসুন সন্তানকে শিক্ষিত বানানোর আগে মানুষ বানাই: শায়খ আহমাদুল্লাহ দীনের প্রকৃত পথ: তাবলীগ, শিবির নাকি আলেমগণের সোহবত জুন মাসে বৃষ্টিপাত কম হবে, থাকবে তাপপ্রবাহ মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা প্রকাশ রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত কার্যকরের আশ্বাস দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ইমামদের আর্থিক ও সামাজিক অবস্থান সুসংহত করতে কাজ করছে সরকার’ ১০২ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তুলেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস

মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বরগুনার আমতলী উপজেলার এক মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি করে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মো. হৃদয় খান (২০) নামে এক যুবকের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া এ ঘটনায় মো. জাহিদুল ইসলাম (১৯) নামে আরেক সহযোগীকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম লায়লাতুল ফেরদৌস এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি বরগুনার আমতলী উপজেলায় ১২ বছর বসয়ী এক কিশোরীকে অপহরণ করে হৃদয় খান। পরে ওই কিশোরীর স্বজনদের কাছে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন তিনি। তবে মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে ওই মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে একটি খালের মধ্যে মরদেহ লুকিয়ে রাখেন তিনি। এ সময় হৃদয়কে মরদেহ লুকাতে সহযোগিতা করেন পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রাপ্ত জাহিদুল। পরবর্তীতে পুলিশের তৎপরতা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মুক্তিপণ চাওয়ার সূত্র ধরে হৃদয় ও জাহিদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আমতলীর একটি খাল থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ১৭ জনের সাক্ষ্য ও ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রমাণ অনুযায়ী হৃদয় খানের বিরুদ্ধে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ লুকানোর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এ ছাড়া, মরদেহ লুকাতে সহযোগিতা করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জাহিদুলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ