বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার চায় জমিয়ত রাত ১টার মধ্যে যেসব অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির শঙ্কা

ফলাফলেও ‘ফকির’ ফকিরহাট মহিলা কলেজ!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জাভেদ হোসেন, গাইবান্ধা

গাইবান্ধার একটি কলেজ থেকে টানা দুই বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েও পাস করেননি কোন শিক্ষার্থী। বুধবার সকালে ওই কলেজ সূত্রে এই ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। একজনও পাস না করা ওই প্রতিষ্ঠানের নাম ‘ফকিরহাট মহিলা কলেজ’।

সূত্র জানায়, বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা নিয়ে ২০০০ সালে চালু করা হয় জেলার পলাশবাড়ি উপজেলার ফকিরহাট মহিলা কলেজ। মাঝখানে কিছুদিন বন্ধ থেকে প্রতিষ্ঠানটি আবারো ২০১৬ সালে চালু করা হয়। সর্বশেষ ওই কলেজ থেকে ২০২৪ সালে দুজন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এইচএসসি পরীক্ষায় চূড়ান্ত ফলাফলে তাদের কেউই পাস করেননি। ওই দুই পরীক্ষার্থীর দুজনই মানবিক বিভাগ থেকে অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে একজন নিয়মিত ও একজন অনিয়মিত শিক্ষার্থী ছিলেন।

এর আগে ২০২৩ সালেও একই কলেজ থেকে মাত্র একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েও ফেল করেছেন।

ফকিরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবার রশিদ মোবাইল ফোনে বলেন, ২০২৪ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এই কলেজ থেকে দুইজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তারা দুজনই ফেল করেছে। তারা দুজনই মানবিক বিভাগের। তাদের মধ্যে একজন নিয়মিত এবং একজন অনিয়মিত শিক্ষার্থী ছিল।

টানা দুইবার পরীক্ষার্থীরা অকৃতকার্য হওয়া প্রশ্নে অধ্যক্ষ বলেন, বর্তামনে শিক্ষার্থী ফেল করার বড় কারণ প্রতিষ্ঠাতার ব্যাপক দুর্নীতি। প্রতিষ্ঠাতার দুর্নীতির কারণে কলেজটি বন্ধ থাকে।

এসময় আক্ষেপ করে তিনি আরো বলেন, কয়েক বছর আগে শতভাগই পাশ করতো। ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষক ছিলো, এখন অনেকেই আসে না। দুর্নীতির ওইসব বিষয়ে কয়েক দফায় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দফতরে অভিযোগ করা হয়েছে। কোনো প্রতিকার মেলেনি। কর্মচারীরা অভিযোগ দিয়েছে, জমিদাতারাও অভিযোগ করেছে। কেনো কাজ হয়নি। এভাবে থাকতে থাকতে একসময় প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য যে, এই প্রতিষ্ঠান হতে আগামী ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় একজন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ