শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৬ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিক মর্যাদায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার আহ্বান হেফাজতের রাতে চার দিনের সফরে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন আমিরে মজলিস হাফেজাদের যথাযথ পরিচর্যায় গড়ে তুলতে হবে: মাওলানা যাইনুল আবিদীন আস-সুন্নাহর সহায়তায় মেহেদীর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ সৌদিতে আটকে ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী, বিশেষ ফ্লাইট চাইলেন ওয়াইসি হাটহাজারীতে তিন দিনের তাফসির মাহফিল সফল করার আহ্বান আল-আমিন সংস্থার ৯২ বছর বয়সেও নিয়মিত মসজিদে যান বসনিয়ার বৃদ্ধ আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় খেলাফত মজলিসের নিন্দা ৫৬ বছরের দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদ: গাজী আতাউর রহমান ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো আরও ৪ জনের

মাকে হত্যার দায়ে ছেলে ও পুত্রবধূকে মৃত্যুদণ্ড


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় ফাতেমা খাতুন (৮৫) নামে বৃদ্ধা মাকে পরিবারের বোঝা মনে করে হত্যার দায়ে ছেলে ও পুত্রবধূকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক কানিজ ফাতিমা আসামিদের উপস্থিতিতে এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

আদেশে উল্লেখ করা হয় যে, আসামিদের দি পেনাল কোডের ৩০২/৩৪ ধারায় দণ্ডযোগ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হলো।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কাজিপুর উপজেলার রেহাইশুরিবের গ্রামের মৃত মকছেদ আলী মণ্ডলের ছেলে আব্দুস সামাদ (৬৫) ও আব্দুস সামাদের স্ত্রী রশিদা খাতুন (৬০)।

সিরাজগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালতের এপিপি শামসুল আলম জানান, আব্দুস সামাদের সঙ্গে তার বৃদ্ধা মা ফাতেমা খাতুন একই বাড়িতে বসবাস করতেন। প্রতিদিনের মতো খাওয়া-দাওয়া শেষ করে তার কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন বৃদ্ধা মা। পরদিন ভোরে ওই কক্ষে ফাতেমা বেগমের গলাকাটা লাশ উদ্ধার ও ছুরি জব্দ করে পুলিশ। পর দিন নিহতের ছোট ছেলে আব্দুর রহিম কাজিপুর থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ বড় ছেলে আব্দুস সামাদ ও তার স্ত্রী রশিদা খাতুনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এরপর ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ