বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬ ।। ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৫ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ই-হেলথ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে প্রার্থীদের আপিলের সুযোগ ১০ মার্চ পর্যন্ত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রীর ২৯৭ আসনের কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল প্রকাশ ইসির তালিকা করে চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে বিদ্যুৎ-জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে শঙ্কায় বাংলাদেশ ৬ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট তিন বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ শুরুর নির্দেশ ডিএনসিসির ইরানে যেই দায়িত্ব নেবে, তাকেও হত্যার লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি ইসরায়েলের  ‘সরকারি কাজে কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না’

ইমামকে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে দিন : পেশ ইমাম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ ঢাকা


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি : আওয়ার ইসলাম

।।হাসান আল মাহমুদ।।

ইমাম। সমাজের আইডল। সমাজের নেতা। মানুষের ভালোবাসা। সমাজের সুখ-দুঃখের সাথী। একজন ইমাম সমাজ জীবনে কী ধরনের প্রভাব ফেলে যাচ্ছেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে কী ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন সেসব নিয়ে আওয়ার ইসলামকে তথ্য জানিয়েছেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মুহিউদ্দিন কাশেম 

 

মুফতি মুহিউদ্দিন কাশেম বলেন, সমাজে ইমামদের দায়িত্ব। ভূমিকা অনেক বেশি। এর কারণ হলো রাসূল সা. বলেছেন- ‘কিয়ামতের ময়দানে প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার অীধনস্ত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে।’ তো, অধিনস্ত বিভিন্নভাবে হয়ে থাকে। বাবার অধীনে ছেলে, সেও একজন অধিনস্ত। এরকমভাবে কর্মচারীসহ নানা ভাবেই হয়ে থাকে অধিনস্ত। বিশেষ করে যারা ইমাম রয়েছেন, তাদের অধিনস্থ সমাজের প্রত্যেকটা মানুষ। তাই, তাদেরকে দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়ে সমাজের যতো অন্যায়-অবিচার, পাপাচার আছে, সবগুলোকে সুন্দরভাবে মানুষের কাছে তুলে ধরে দিকনির্দেশনা দেওয়া একজন ইমামের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এতে কোনো ব্যক্তির কষ্ট পাওয়া উচিত নয়।

মুফতি মুহিউদ্দিন কাশেম আরও বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, আমাদের সমাজে ইমামগণ সে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রোষানলের স্বীকার হচ্ছেন। অনেকের ইমামতিও ইস্তফা দিতে হয়। এটা খুবই দুঃখজনক। সমাজের উচিত ইমামের মূল্যায়ন করা। একজন ইমামকে যদি সঠিক ও বিশুদ্ধ ত্বরিকায় নববী কাজ করতে দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়, তাহলে এর সুফল শুধু সমাজই নয়, বরং গোটা দেশ ভোগ করে।

এজন্য বাস্তবজীবনে দেখা যায়, যে মহল্লায় ইমামকে স্বাধীনভাবে তার দায়িত্ব পালন করতে দেয়া হয়, আর ইমামও সঠিক আক্বিদায় নববী পদ্ধতিতে কাজ করেন, সে মহল্লা অন্যায়, নাচগান, শিরিক-বিদাত মুক্ত থাকে। আর যে মহল্লার ইমামকে চুপ করে থাকতে দেয়া হয়, সে মহল্লা অন্যায়, সুদ-ঘুষ, শিরিক-বিদআতের আখরা বনে যায়। 

হুআ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ