শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ ১৫ আগস্ট কেন্দ্র করে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগামীকালের জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জুলাই শহীদদের স্মরণে রংপুরে শায়খে চরমোনাইয়ের দোয়া ও ইসলাহি ইজতেমা

যেসব কারণে শ্রবণশক্তি কমে যায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বিশ্বে শ্রবণক্ষমতা হ্রাস পাওয়া মানষের সংখ্যা প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, পূর্ণবয়ষ্ক ব্যক্তি যদি ৪০ ডেসিবেল আর শিশুরা যদি ৩০ ডেসিবেল মাত্রার শব্দ শুনতে না পায় তাহলে তাকে শ্রবণ অক্ষম হিসেবে ধরা হয়। শ্রবণক্ষমতা হারানোদের অধিকাংশই নিম্ন ও নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের মানুষ। ধারণা করা হয়, ৬৫ বছর বয়সের পরে এক তৃতীয়াশ মানুষই শ্রবণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার কারণ:

সাধারণত দুইভাবে শ্রুতিশক্তি কমে যায়। প্রথমত জন্মগত কারণে এবং পারিপার্শিক কারণ।

জন্মগত কারণ : একটি শিশু গর্ভাবস্থায় অথবা জন্মের সময় শ্রবণত্রুটি নিয়ে জন্মাতে পারে। সাধারণত বাবা-মায়ের জেনেটিক কারণে এবং গর্ভাবস্থায় অথবা জন্মের সময় কিছু জটিলতার কারণে শ্রুতি শক্তি হারাতে পারে। যেমন-

গর্ভাবস্থায় মাতৃ রুবেলা, সিফিলিস অথবা অন্য কোনো ইনফেকশনের কারণে হতে পারে। এছাড়া কম ওজন নিয়ে জন্মালে। জন্মের সময় অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে শ্বাসকষ্ট হলে।

গর্ভের সময় নিদৃষ্ট কিছু ওষুধ যেমন, অ্যামিনোগ্লাইকোসাইডস, সাইটোঅক্সিক ড্রাগস, অ্যান্টিমেলারিয়াল ড্রাগস খেলে।
জন্মের পর পরেই মারাক্তক জন্ডিসে আক্রান্ত হলে।

অর্জিত কারণ : পারিপার্শিক কারণে যে কোনো বয়সে শ্রুতিশক্তি হ্রাস পেতে পারে। পারিপার্শিক কারণগুলো হচ্ছে-

ভাইরাস বা ব্যকটেরিয়ার মাধ্যমে মস্তিষ্কে মেনিনজাইটিস সংক্রমণ, হাম জাতীয়ে রোগের সংক্রমণ। দীর্ঘস্থায়ী কানের সংক্রমণ। কানে তরলজতীয় পদার্থ জমে থাকা। ম্যালেরিয়া, যক্ষা এবং ক্যান্সার জাতীয় রোগের প্রতিরোধে অতিরিক্ত ওষুধের ব্যবহার।

এছাড়া মাথা এবং কানে আঘাত পেলে। অতিরিক্ত শব্দ, যেমন পেশাগত কারণে যন্ত্রপাতির অতিরিক্ত শব্দ, হটাৎ কোনও বিষ্ফোরণ।
অতিরিক্ত আওয়াজে অডিও ডিভাইসের ব্যাবহার, দীর্ঘ সময় কনসার্ট, নাইটক্লাব, ক্রীড়া ইভেন্টে উপস্থিত থেকে উচ্চস্বরে শব্দ শ্রবণ।

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ