রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫ ।। ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ ।। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
জাপার কার্যক্রম স্থগিতে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে বলল এনসিপি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ, প্রো-ভিসি ও প্রক্টর সহ আহত দুই শতাধিক ধর্ম উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ  নির্বাচন ঘিরে অশুভ শক্তির অপতৎপরতা ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে ‘চবির ঘটনা নীলনকশার অংশ কি না খতিয়ে দেখতে হবে’ ১৮ সেপ্টেম্বর উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জমিয়তের ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সারা দেশে কালেক্টিভ অ্যাটাকের পরিকল্পনা করছে’ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে যমুনায় বিএনপির প্রতিনিধি দল আলিয়া মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ডিসেম্বরে আমি রাজনীতি থেকে বিরত হব না: ফজলুর রহমান

তাস খেলার বিষয়ে দেওবন্দের ফতোয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মোস্তফা ওয়াদুদ: প্রচার আছে, ৫২ কার্ডের ৫৩ রকম খেলা। যেটাকে বাংলাতে বলে তাস খেলা। এর আবার অনেক ধরনের নাম আছে। যেমন: ইটালিয়ান, কলব্রিজ, ডাক, পার্টনারশিপ, ২৯, মঙ্গুশ ইত্যাদি। সমাজের বেকার যুবকরা সাধারণত এসব খেলা বেশি খেলে থাকে। এটাকে জুয়া খেলাও বলে। কেননা কেউ কেউ এসব খেলার মাঝে বাজী ধরেন। হেরে গেলে টাকার লেনদেন করেন। জিতলে পকেটে টাকা ভরেন।

সমাজে কত ধরনের বিশৃঙ্খলার কথা শোনা যায় এসব খেলাকে কেন্দ্র করে। অনেক মানুষের নি:স্ব হওয়ার গল্পও আছে এ তাস খেলার পেছেনে।

প্রশ্ন হলো, এ ধরনের তাস খেলা কি জায়েজ? কিংবা এসব খেলে টাকা কামানো বা খরচ করা? এমন একটি প্রশ্ন করা হয়েছে দারুল উলুম দেওবন্দের ওয়েবসাইটে।

প্রশ্নকারী ব্যক্তি বলেন, ‘আমি পাকিস্তান থেকে বলছি। তাস খেলা কি জায়েজ? যদি আমরা তাস খেলে বাজি না ধরি তাহলেও? কেননা এখন কম্পিউটারেও তাস খেলা যায়।’

প্রশ্নের জবাবে দেওবন্দ থেকে বলা হয়, ‘যদি তাস খেলা জুয়ার মতো টাকার লেনদেন করে খেলা হয় তাহলে তা হারাম হওয়ার বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আর যদি বাজি না ধরেও খেলা হয় তবু হারাম। কেননা এটা অনর্থক খেলাধুলার অন্তর্ভূক্ত। আর মুসলমানদের জন্য অনর্থক খেলাধুলায় সময় ব্যয় করা হারাম ও নাজায়েজ।

দেওবন্দের ফতোয়ার লিঙ্ক:

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ