বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ।। ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইরান অভিযানে বড় বাধা মার্কিন অস্ত্রের ঘাটতি: যৌথ বাহিনীর প্রধান কেইন এনআইডি সংশোধন ও হারানো কার্ড তুলতে নতুন ফি নির্ধারণ করলো ইসি গোল্ডকাপ ফুটবলে মাদরাসা ছাত্রীদের দল বাধ্যতামূলক নয়: শিক্ষামন্ত্রী ইসরায়েলি বাহিনীতে বিদ্রোহ, ঘাঁটি ছেড়ে পালাল শত শত সেনা আগস্ট মাসে জ্বালানি তেলের দাম কত বাইরের ফারেগদের ইফতা বিভাগে ভর্তি করবে না মাজাহিরুল উলুম সাহারানপুর এনসিপির কর্মসূচিতে হামলায় চিরতরে আলো হারাল সেই আলিফের এক চোখ এবার মাদরাসা পরিচালকদের জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন কওমী ও ন্যাশনাল কারিকুলামের সমন্বিত শিক্ষাবোর্ড ইতমিনানের সাফল্য রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধার

বায়তুল্লাহর সামনে এক গ্রাম্যলোকের কান্না: মাওলানা তারিক জামিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের

আমার প্রিয় ভাইয়েরা! আমি আপনাদেরকে হাতজোড় করে বলছি, আসুন আমরা তওবা করি। আল্লাহ তায়ালার কাছে ফিরে আসি। আল্লাহ তায়ালার কাছে ফিরে আসি।

আমরা কোথায় যাচ্ছি? ভাবা দরকার। চলমান জীবনকে নিয়ে ভাবা অত্যন্ত জরুরি। কারণ, চলে যাওয়া জীবন তো আর ফিরে আসে না। কিন্তু দীন ফিরে আসতে পারে।

১৯৮৯ সনে আমি প্রথম হজ করেছি। আমার একসাথী বললো, কাবা শরীফে একজন গ্রাম্যলোক আসলো। তখন তো আর এখনের মতো এমন নিরাপত্তার বেষ্টনী ছিলো না। সে সরাসরি মুলতাযিমের পর্দা ধরে জোরে চিৎকার দিয়ে বলতে শুরু করলো, হে আমাদের রব! আপনি আমাদের জন্য দুনিয়াকে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন।

আর আমাদের থেকে দীনকে উঠিয়ে নিয়েছেন। ফলে আমাদের সন্তানরা গান—বাজনায় নিমগ্ন হয়ে আছে। হাতের মধ্যে পবিত্র কুরআনুল কারীমের পরিবর্তে তবলা, গিটার চলে এসেছে।

হে আমাদের রব! আপনি আমাদের থেকে দুনিয়াকে উঠিয়ে নিন। আর আমাদের দীনকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিন। সে এইভাবেই কান্না করতেছিলো। সেখানে যে পুলিশ ছিলো সেও অস্থির হয়ে যায়।

সে ওইলোককে সেখান থেকে ধমক দিয়ে সরিয়ে দেয়— তার কথার কারণে নাজানি আবার আল্লাহ তায়ালার রাগ আমাদের উপর নেমে আসে কী না— এই ভয়ে।

কিছুক্ষণ পর ওইলোক আবার সেখানে এসে আল্লাহ তায়ালার কাছে দুয়া করতে শুরু করলো, হে আমাদের রব! আমাদের থেকে দীন নারাজ হয়ে চলে গিয়েছে।

আর দুনিয়ার দরজা আমাদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গেছে। দীন নামক বড় দৌলতকে আমরা নষ্ট করে দিয়েছি। সুতরাং আমাদের থেকে এই দুনিয়া আপনি উঠিয়ে নিন। আর আামদের কাছে আমাদের দীনকে ফিরিয়ে দিন। যে নির্দয় পুলিশ সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলো এবার সেও তাঁর সাথে কান্না করা শুরু করে দেয়।

প্রিয় ভাইয়েরা! আমাদের তো এইসব বিষয়ে চিন্তা—ফিকির করা উচিত ছিলো। দীনি বিষয়ের ক্ষতি ও লসকে নিয়ে চিন্তা করা উচিত ছিলো। কিন্তু আমাদের কী নিয়ে চিন্তা করার দরকার ছিলো, আর আমরা কী বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে শুরু করেছি— ভাবা দরকার।

আমাদের প্রজন্মরা আমাদের কোন চিন্তা—চেতনাকে ইতিহাসের পাতায় তুলে ধরবে? আমাদের এমন হিজিবিজি অবান্তর কাজকর্ম তারা কীভাবে ইতিহাসের পাতায় স্থান দেবে?

আর এসব যারা পড়বে তাদের অন্তরে আমাদের প্রতি কোন ধরনের ঘৃণা জন্মাবে? তারা কী এসব অন্তরের দরদ নিয়ে পড়ে? আমাদের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে পড়বে? এসব পড়ে কী আমাদের প্রতি তাদের মহব্বত সৃষ্টি হবে? কখনোই হবে না। বরঞ্চ আমাদের প্রতি তাদের আরো ঘৃণা জন্মাবে। আমাদেরকে তারা আরো গালি—গালাজ করবে।

সূত্র: আল্লাহ কো রাজি কি যিয়ে

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ