বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গণঅভ্যুত্থান দিবসে ইফাদাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চায় খেলাফত মজলিস ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের ফসল’ দেশব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন শুক্রবারে বায়তুল মোকাররমে জুমার খুতবাপূর্ব বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম ইমরান খানের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ পাকিস্তানে, ব্যাপক ধরপাকড় জুলাইয়ের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বায়তুল মোকাররমে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান ও মাদরাসাপড়ুয়াদের অবিস্মরণীয় ভূমিকা হজযাত্রীদের জন্য নতুন ছাতার নকশা আহ্বান সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের

স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তক নিয়ে ষড়যন্ত্র বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পরিপন্থী: মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: স্বাধীন-স্বার্বভৌম বাংলাদেশের স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তক থেকে ইসলামী শিক্ষা-সাহিত্য ও সংস্কৃতি তুলে দিয়ে হিন্দুত্ববাদী শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রচলনের ষড়যন্ত্রের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ সভাপতি শহিদুল ইসলাম কবির।

তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশের স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তক থেকে বিভিন্ন অপকৌশলের আশ্রয় নিয়ে ইসলামী শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি তুলে দিয়ে হিন্দুত্ববাদী শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি চালু করা হলে তা হবে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর চেতনা পরিপন্থী।

আজ রোববার (৩ জুলাই)গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ সভাপতি শহিদুল ইসলাম কবির আরো বলেন, যেই বঙ্গবন্ধু ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য কাজ করেছেন সেই বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের নেতৃত্বে স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তক থেকে ইসলামী সাহিত্য-সাংস্কৃতি তুলে দিয়ে হিন্দুত্ববাদী সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রচলন করা হলে দেশের জনগন তা কখনোই মেনে নিবে না।

তিনি বলেন, ১৯৭১ এ মহান মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে হটিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য, ইসলামী শিক্ষা-সাহিত্য ও সংস্কৃতি হটানোর জন্য নয়।

যারা বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে ইসলামী শিক্ষা-সাহিত্য ও সংস্কৃতি তুলে দিয়ে হিন্দুত্ববাদী শিক্ষা-সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রচলন করতে চায় তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ এবং ইসলাম, দেশ ও সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের দুশমন। তাঁরা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ থেকে ইসলামী শিক্ষা সংস্কৃতিকে হটিয়ে দিতে চায়।

শহিদুল ইসলাম কবির বলেন, ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে যেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, সে বাংলাদেশের জন্য জীবন উৎসর্গকরা শহীদ ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা পাঠ্যপুস্তক থেকে ইসলামী শিক্ষা-সাহিত্য ও সংস্কৃতি হটানোর জন্য মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেননি। সরকার যদি এ বিষয়ে এখনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে তবে জীবিত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা দল-মত নির্বিশেষে পাঠ্যপুস্তকে ইসলামী শিক্ষা-সাহিত্য ও সংস্কৃতি রক্ষায় প্রয়োজনে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ