বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গণঅভ্যুত্থান দিবসে ইফাদাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চায় খেলাফত মজলিস ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের ফসল’ দেশব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন শুক্রবারে বায়তুল মোকাররমে জুমার খুতবাপূর্ব বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম ইমরান খানের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ পাকিস্তানে, ব্যাপক ধরপাকড় জুলাইয়ের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বায়তুল মোকাররমে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান ও মাদরাসাপড়ুয়াদের অবিস্মরণীয় ভূমিকা হজযাত্রীদের জন্য নতুন ছাতার নকশা আহ্বান সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের

করোনার চতুর্থ ঢেউ নিয়ে সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দেশে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ও শনাক্ত আবারও বাড়ছে। করোনা শনাক্তের হার ১ দশমিকের নিচ থেকে আবার ঊর্ধ্বমুখী। এ অবস্থাকে দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ বিরাজমান বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ঢেউ মোকাবিলায় সরকারকে কঠোর হওয়ার পাশাপাশি জনসাধারণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

এ অবস্থায় করোনা সংক্রমণ রোধে ছয়টি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সচিব ও বিভাগীয় কমিশনারদের অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। নির্দেশনার মধ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মাস্ক পরায়।

সবক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা, ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ নীতি প্রয়োগ করা এবং দোকান, শপিংমল, বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতা, হোটেল-রেস্টুরেন্টে সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় হলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে বলেও নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।

দেশ করোনার চতুর্থ ঢেউয়ে প্রবেশ করলেও আগের তিনটি ঢেউয়ের মতো অতটা খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি এখনো। করোনা সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে রোগীর চাপ কম। তবে এ নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন বিশষজ্ঞরা। কয়েকদিন ধরে দৈনিক মৃত্যু বাড়ছে। শনাক্তের হারও ঊর্ধ্বমুখী। স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোশতাক হোসেন বলেন, করোনা সংক্রমণ খুব দ্রুতই বাড়ছে। তবে করোনার চতুর্থ ঢেউ বেশিদিন থাকবে না। জুলাই মাসে এই সংক্রমণ কমে যেতে পারে। যে সংক্রমণ যত দ্রুত বাড়ে তা তত দ্রুত কমে যায়।

করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, করোনা সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, এ থেকে বাঁচতে সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। অন্যথায় সংক্রমণ আরও বাড়বে। এরই মধ্যে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী সরকার নির্দেশনা দিয়েছে। তবে নির্দেশনা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। সরকারকে মাস্ক পরিধান বাস্তবায়নে আরও উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। সবাইকে করোনা নিয়ে সচেতন থাকার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শও দেন তিনি।

মাস্ক পরা নিশ্চিতে করণীয় জানতে চাইলে মোশতাক হোসেন বলেন, শুধু নির্দেশনা দিয়ে মাস্ক পরা নিশ্চিত করা যাবে না। এজন্য সরকারকে কর্মসূচি হাতে নিতে হবে। এজন্য বরাদ্দও রাখতে হবে। প্রয়োজনে যাদের মাস্ক কেনার সামর্থ নেই, তাদের মধ্যে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করতে হবে। শুধু নির্দেশনা দিলেই কাজ হবে না।

তিনি বলেন, অফিস-আদালতে কমিটি করে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি মার্কেট বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথে কর্মী রেখে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসনকে তৎপর হতে হবে। সিটি করপোরেশনকে পাড়া-মহল্লার দায়িত্ব দিতে হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ