শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

দর্জিকে শি*রচ্ছেদের ঘটনায় গ্রেফতার আরও ৩

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নবীজি হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও আম্মাজান হজরত আয়েশা সিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহাকে অবমাননা করা নুপুর শর্মাকে সমর্থন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করায় ভারতের রাজস্থানে এক দর্জিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে ।

হত্যার পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে। এই ঘটনায় আগেই দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নতুন করে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজ্যজুড়ে ১৪৪ ধারা জারির পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে ইন্টারনেটও।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে,  উদয়পুর শহরের ধানমন্ডি এলাকায় হিন্দু যুবক কানহাইয়া লাল তেলিএকটা দর্জির দোকান ছিল। সেখানেই তাকে হত্যা করা হয়।

খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে তার দোকানে জামা সেলাই করাতে কয়েকজন আসেন। তারাই তলোয়ার দিয়ে তার মাথায় কোপ মারেন। যুবককে হত্যার পর সেই ভিডিও অনলাইনে পোস্টও করেন ওই দুই যুবক। পরে গণমাধ্যমকে হত্যাকাণ্ডের ভিডিও সম্প্রচার না করার জন্য আহ্বান জানান রাজস্থানের একজন শীর্ষ স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা।

গত মাসে ওই নুপুর শর্মার অমনানমাকে কেন্দ্র করে ভারতে ও মুসলিম দেশগুলোতে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ওই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কাছ থেকে প্রবল কূটনীতিক চাপের মুখোমুখি হয় ভারত। এ কারণে বাধ্য হয়ে বিজেপি তাদের এ মুখপাত্রকে বরখাস্ত করে। বিতর্কিত ওই মন্তব্যের কারণে ভারতে ধর্মীয় বিক্ষোভ হয়।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, কানহাইয়া লালকে তিন সপ্তাহ আগে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে পুলিশের গ্রেফতার করেছিল। এরপর তিনি মুক্তির পর জীবননাশের হুমকির কথা উল্লেখ করে পুলিশি নিরাপত্তা চেয়েছিলেন।

একজন পুলিশ কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেন, ওই ঘটনার পরে পুলিশ কিছু হিন্দু ও মুসলমানকে শান্তি বৈঠকের জন্য ডেকেছিল। এরপর কানহাইয়া লাল বলেছিলেন যে কারও বিরুদ্ধে আর কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার নেই।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ