রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
৬ নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কা সন্ত্রাসের পক্ষে কাজ করা সাংবাদিকেরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়: সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী আচরণের কারণে শান্তি আলোচনা এগোচ্ছে না: ইরান ৩০টি নোটিশ দিয়েছি, কোনটার ওপর বলব জানি না: সংসদে আমির হামজা বিদ্যুৎ ও তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নয়, দুর্নীতি বন্ধ করুন: বিকেএম মমতার কেন এই বিপর্যয়, বিজেপির কেন এই উত্থান? এবার ২ লাখ ফলদ চারা রোপণ করবে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ চায় নেজামে ইসলাম পার্টি পলাশবাড়ীর ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে জনমনের উদ্বেগ দূর করুন: হেফাজত নতুন চেয়ারম্যান পেল মাদরাসা বোর্ড

এবার দাম বাড়ার তালিকায় অ্যাংকর ডাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কয়েক দিন ধরেই বাজারে বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। গত ১০-১৫ দিনে মসুর ডালের দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এবার এই মিছিলে শামিল হয়েছে অ্যাংকর ডাল। গত দুই সপ্তাহে কেজিতে এর দাম বেড়েছে ১০ টাকা।

গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল ও তেজকুনিপাড়া এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি কেজি অ্যাংকর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। অথচ সপ্তাহ দুয়েক আগেও এই ডালের কেজি কেনা যেত ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়।

মুগডালের দামও বেড়েছে পাঁচ টাকা। আগে প্রতি কেজি মুগডাল পাওয়া যেত ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। এখন কিনতে খরচ পড়বে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা। দেশি মসুর ডালের দাম বেড়ে কয়েক দিন ধরেই ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা মসুর ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়।

সরকারি সংস্থা টিসিবির তথ্যমতে, গত এক মাসে অ্যাংকর ডালের কেজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ৯ শতাংশ। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে খুচরা বাজারে বেড়েছে। কারওয়ান বাজারের শাহ মিরান জেনারেল স্টোরের মালিক মো. মামুন বলেন, অন্যান্য জিনিসের দর বাড়ার সঙ্গে

অ্যাংকর, মুগডালসহ প্রায় সব ধরনের ডালের দাম বাড়িয়েছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। খুচরায়
এখন কেজিতে দু-এক টাকার বেশি মুনাফা করা যায় না।

কারওয়ান বাজারের পাইকারি ডাল ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেন বলেন, এক সময় অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রচুর ডাল আমদানি করত বাংলাদেশ। কয়েক বছর ধরে ইউক্রেন থেকে ডাল আমদানি হচ্ছে। কিন্তু এখন যুদ্ধের কারণে ডাল আসছে না। অন্য দেশ থেকেও আমদানি কমেছে। এ কারণে দেশের বাজারে দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, রমজানের আগে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় পাইকারি পর্যায়ে ডাল বিক্রি হয়েছিল। এখন ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ