বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুই মহীরুহের সান্নিধ্যে তিরমিজি শরিফের দরস: এক সৌভাগ্যময় স্মৃতি ভারতীয় আলেমদের প্রতিবাদের মুখে সুর নরম তসলিমা নাসরিনের কাল হারামাইনে জুমার খুতবা দেবেন যে দুই শায়খ গণঅভ্যুত্থান দিবসে ইফাদাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চায় খেলাফত মজলিস ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের ফসল’ দেশব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন শুক্রবারে বায়তুল মোকাররমে জুমার খুতবাপূর্ব বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম ইমরান খানের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ পাকিস্তানে, ব্যাপক ধরপাকড় জুলাইয়ের কাছে

এবার দাম বাড়ার তালিকায় অ্যাংকর ডাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কয়েক দিন ধরেই বাজারে বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। গত ১০-১৫ দিনে মসুর ডালের দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এবার এই মিছিলে শামিল হয়েছে অ্যাংকর ডাল। গত দুই সপ্তাহে কেজিতে এর দাম বেড়েছে ১০ টাকা।

গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল ও তেজকুনিপাড়া এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি কেজি অ্যাংকর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। অথচ সপ্তাহ দুয়েক আগেও এই ডালের কেজি কেনা যেত ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়।

মুগডালের দামও বেড়েছে পাঁচ টাকা। আগে প্রতি কেজি মুগডাল পাওয়া যেত ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। এখন কিনতে খরচ পড়বে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা। দেশি মসুর ডালের দাম বেড়ে কয়েক দিন ধরেই ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা মসুর ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়।

সরকারি সংস্থা টিসিবির তথ্যমতে, গত এক মাসে অ্যাংকর ডালের কেজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ৯ শতাংশ। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে খুচরা বাজারে বেড়েছে। কারওয়ান বাজারের শাহ মিরান জেনারেল স্টোরের মালিক মো. মামুন বলেন, অন্যান্য জিনিসের দর বাড়ার সঙ্গে

অ্যাংকর, মুগডালসহ প্রায় সব ধরনের ডালের দাম বাড়িয়েছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। খুচরায়
এখন কেজিতে দু-এক টাকার বেশি মুনাফা করা যায় না।

কারওয়ান বাজারের পাইকারি ডাল ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেন বলেন, এক সময় অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রচুর ডাল আমদানি করত বাংলাদেশ। কয়েক বছর ধরে ইউক্রেন থেকে ডাল আমদানি হচ্ছে। কিন্তু এখন যুদ্ধের কারণে ডাল আসছে না। অন্য দেশ থেকেও আমদানি কমেছে। এ কারণে দেশের বাজারে দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, রমজানের আগে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় পাইকারি পর্যায়ে ডাল বিক্রি হয়েছিল। এখন ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ