মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘আল্লাহর আইনের বিরুদ্ধে আইন করার এখতিয়ার কারো নেই’ ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করার আহ্বান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারায়ণগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের জেলা ও মহানগর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সৌদির কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে হুতিদের ভয়াবহ হামলা  শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে: প্রধানমন্ত্রী ‘আদালতের রায়ের প্রতিবাদে হরতাল-ধর্মঘট নিষিদ্ধ জুলাই চেতনার পরিপন্থী’ ব্রিটিশ বাংলাদেশি মুসলিমদের প্রশংসা দ্য ইকোনমিস্টের ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১ হাজর ৭৩৩ ‘জনগণের অর্থে নির্মিত রাস্তা কেটে জনভোগান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না’  ‘মুমিনের অন্তরে নবীজির জীবনাদর্শের চেতনা সবসময় জাগ্রত রাখতে হবে’

ফিলিস্তিনিদের ৭৪তম ‘নাকবা’ দিবস আজ, তাদের সাথে কী ঘটেছিল সেদিন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আজ ১৫ মে। ঐতিহাসিক ‘নাকবা’ দিবস। ১৯৪৮ সালের পর থেকে প্রতি বছর এই দিনটিকে অত্যন্ত দুঃখভরে স্মরণ করেন ফিলিস্তিনিরা। কেননা, ফিলিস্তিনিদের জন্য দিনটি অবমাননা ও বিপর্যয়ের।

‘নাকবা’ আরবি শব্দ। বাংলা তরজমা করলে এর অর্থ দাঁড়ায় ‘বিপর্যয়, দুর্ঘটনা ও দুর্ভাগ্য’। ৭৪ বছর আগে ১৯৪৮ সালের ১৫ মে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হয়। তাদের ভূখণ্ড দখল করে অবৈধভাবে ইসরাইল নামের একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়। আর এই অবৈধ ইসরাইল প্রতিষ্ঠা করতে ও ইহুদি বসতি স্থাপন করতে ৭ লাখ ৫০ হাজার সাধারণ ফিলিস্তিনিকে তাদের জন্মভূমি থেকে জোর করে উচ্ছেদ করা হয়।

সেই থেকে দিনটিকে ফিলিস্তিনিরা ভাগ্য-বিপর্যয়ের দিন হিসেবে দেখে এবং বিপর্যয় তথা ‘নাকবা’ দিবস হিসেবে পালন করে। এরপর প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাদের স্বাধীকার লড়াই চলছে।

বিশ্লেষকেরা বলেন, নাকবা দিয়ে মূলত ফিলিস্তিনি জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের ওপর জাতিগত নিধন বোঝানো হয়। ফিলিস্তিনিদের হত্যা ও তাড়িয়ে দিতে এ পর্যন্ত অন্তত ৭০টির মতো গণহত্যা চালিয়েছে ইসরাইলিরা।

নিজেদের জন্মভূমি ফিরে পেতে আজও লড়াই করছে ফিলিস্তিনিরা। সেদিন যাদের বাপ-দাদার ভিটে থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে, তারা আর কখনো সেখানে ফিরে যেতে পারেননি। ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তাদের বংশধরেরা গাজা, পশ্চিমতীর ও বিভিন্ন দেশের শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছেন। ফিলিস্তিনি জনসংখ্যার ৭৪ শতাংশ বর্তমানে শরণার্থী জীবনযাপন করছেন। সূত্র: আলকুদস

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ