বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
জামায়াত জোটের সংবাদ সম্মেলনে যাচ্ছে না ইসলামী আন্দোলন  প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জমিয়তের আলেম-উলামাসহ সব ধর্মের মানুষ বিএনপির কাছেই নিরাপদ: শামা ওবায়েদ মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে ইসির শোকজ সীমান্তের কোল ঘেঁষে শিশুর দেশপ্রেমী গান, নেটদুনিয়ায় তোলপাড় বিক্ষোভে প্রায় ২০০০ নিহত, দাবি ইরানি কর্মকর্তার নিকাব নিয়ে কটূক্তিকারীর শাস্তি না হলে ধরে নেব বিএনপি এই বক্তব্য ধারণ করে দুইটি মামলায় খালাস পেলেন আখতার হোসেন সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন ‘রুমিন ব্যারিকেড’ ডিঙ্গাতে পারবেন কি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব?

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি অনেক মজবুত, শ্রীলঙ্কার মতো অবস্থা হবে না: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: 'বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি অনেক মজবুত, আমাদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কার মতো হবে না' উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ ঋণ পরিশোধে কখনো ডিফল্টার (খেলাপি) হয়নি, হবেও না।

বুধবার (৬ এপ্রিল) একাদশ জাতীয় সংসদের ১৭তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।

এর আগে বিরোধী দলের উপনেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের তার সমাপনী বক্তব্যে শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শ্রীলঙ্কার বিষয়টা দেখে।

এটা বাস্তব। তবে একটা কথা তাকে বলতে চাই, আমরা সরকার গঠন করার পর থেকে এই পর্যন্ত আমাদের উন্নয়নের ক্ষেত্রে যত ঋণ নিয়েছি, ঋণটা আমরা সব সময় সময়মতো পরিশোধ করে থাকি। '

তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ একটা দেশ যে দেশটি কোনো দিন ঋণ পরিশোধে ডিফল্টার হয় নাই, হবেও না। সেদিক থেকেও আমাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি অনেক মজবুত। সেটা আমি বলে রাখতে চাই। আমরা অত্যন্ত সতর্ক। '

তিনি বলেন, 'বিরোধী দলের নেতা, বিএনপি, জাতীয় পার্টি এরা যখন ক্ষমতায় ছিল, বিদেশ থেকে যখন জিনিস কিনত তখন ১০ টাকার জিনিস ২০ টাকা দিয়ে কিনে বাকি ১০ টাকা পকেটে ঢোকাত, কমিশন খেত। কোনোটার দাম যদি ১৩০ মিলিয়ন হতো, সেটাকে ১৫০ করে ২০ মিলিয়ন পকেটে নিত। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সেটা হয় না, বরং আমরা দাম কমিয়ে আনি। দাম কমিয়ে আমরা ক্রয় করি। '

'উন্নয়নের কারণে ভোগান্তি হচ্ছে' বিরোধী নেতার এমন অভিযোগে তিনি বলেন, 'দেশের উন্নয়নটা কার জন্য? মেট্রো রেল কার জন্য? মেট্রো রেল তো এ দেশের সাধারণ মানুষের জন্যই। মানুষ যাতে সরাসরি চলাচল করতে পারে তার জন্য। এখন হয়তো কিছুটা কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু মেট্রো রেল হয়ে যাবার পর উত্তরা থেকে যদি একেবারে সেই বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত যায়। অল্প সময়ের মধ্যে ৬০ হাজার লোক যাতায়াত করতে পারবে। গাড়ি নেওয়া লাগবে না। '

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ