বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘শের’ দ্বারা রুমিন ফারহানার অভিযোগের জবাব দিলেন জুনায়েদ আল হাবীব  এক মাস ধরে খোঁজ মিলছে না মাদরাসা ছাত্র মোমিনের ৮ মাস পালিয়ে থাকা ও দেশ ছাড়া নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ২২ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলে বিপর্যয় ঘটতে পারে: কাতার ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে রাশিয়ার কড়া সতর্কবার্তা সংবিধান সংস্কারে গণভোট : স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ: মির্জা ফখরুল সুতার মোজার ওপর মাসাহ—শরঈ বিধান কী বলছে? মেধা বিকাশের অনন্য ঠিকানা ‘জামিআ ইসলামিয়া বাইতুল আমান’

১৬ দিনে দেশে এলো প্রবাসীদের ১০৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চলতি মার্চ মাসের প্রথম ১৬ দিনে প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিরা ১০৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। প্রথম ভাগের গতি দেখে মাস শেষে রেমিট্যান্সের প্রবাহ দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্নিষ্টরা। গত মাসে দেশে ১৪৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।

সংশ্নিষ্টরা বলছেন, বাড়তি প্রণোদনা ও আসন্ন রমজানের কারণে চলতি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। এ ছাড়া করোনার পর বিশ্বের অনেক দেশেই কাজ বেড়েছে। যেসব কর্মীরা ঘণ্টা অনুযায়ী কাজ করেন এবং যারা ব্যবসা করেন, তাদের আয়ও বেড়েছে। ফলে রেমিট্যান্স পাঠানো বেড়েছে। আগামীতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাস থেকে প্রতি ১০০ টাকা রেমিট্যান্সের বিপরীতে সরকার আড়াই টাকা প্রণোদনা দিচ্ছে, যা আগে ছিল দুই টাকা।

চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ নেতিবাচক ধারায় ছিল। এ সময়ে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স ১৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ কমেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এক হাজার ৩৪৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ছিল এক হাজার ৬৬৮ কোটি ডলার।

দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স সংগ্রহ হয় ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। চলতি মার্চ মাসের ১৬ দিনে ব্যাংকটির মাধ্যমে ২২ কোটি ৯৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মুনিরুল মওলা সমকালকে বলেন, বিশ্বের দেশে দেশে করোনা পরবর্তী স্বাভাবিক পরিস্থিতি আসছে। ব্যবসা ও কাজকর্ম বাড়ছে। করোনার সময় যারা দেশে এসে আটকে পড়েছিলেন, তারা ফিরে গেছেন। আবার নতুন কর্মীরা গিয়েও কাজে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন। এ ছাড়া সামনে রমজান ও ঈদ আসছে। সামগ্রিক কারণে রেমিট্যান্সে ইতিবাচক ধারা সৃষ্টি হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ