বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৩ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৮ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
পাক সেনাবাহিনীকে দায়িত্বশীল ও পরিমিত ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানাল আফগানিস্তান ইত্তিহাদুল উলামা বাড্ডার উদ্যোগে ঐতিহাসিক সীরাত মাহফিল ৯ জানুয়ারি আফগানিস্তানের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ তুর্কি কোম্পানিগুলোর  শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের খতমে বুখারী ও দোয়া মাহফিল ১২ জানুয়ারি শীতে কেন উপকারী খেজুর গুড় জকসু নির্বাচনে চার কেন্দ্রের শীর্ষ তিন পদে এগিয়ে শিবির জেলা দায়িত্বশীলদের প্রতি জমিয়তের একগুচ্ছ নির্দেশনা ‘জামায়াত আমিরের বক্তব্য অজ্ঞতার শামিল, তওবা করা উচিত’ গণভোটের প্রচারে যুক্ত করা হচ্ছে ইমামসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে  বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে ৮ মুসলিমকে মারধর

রমজানে দ্রব্যমূল্য: অন্য একটা চিন্তা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শরীফ মুহাম্মদ।।

রহমত বরকত মাগফিরাত ও সহানুভূতির মাস রমজানুল মোবারক। এ মাসে মুসলিমরা রোজা রাখেন। এবং রহমতের এই মাস থেকে নানাভাবে উপকৃত হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে, অমুসলিমরা কিন্তু এ মাসে রোজা রাখেন না। তাদের ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী এ মাসটি তাদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ নয়। তারা শুধু জানেন, মুসলমানদের ইবাদতের, নেকি কামানোর এবং নেক হওয়ার একটি বর্ণাঢ্য মাস এটি।

কিন্তু, জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিয়ে তাদের জন্য মাসটিকে আতঙ্কের মাসে পরিণত করছেন কি একশ্রেণীর ব্যবসায়ী? (এখন অবশ্য রমজানের আগে থেকেই জিনিসপত্রের দাম বেশি)। মোবারক মাসটি মুসলমানদের পাশাপাশি প্রতিবেশী অন্যান্য অমুসলিম সম্প্রদায়ের জন্যও হতে পারতো স্বস্তিদায়ক প্রশান্তিময়। শুধু বাজারের পরিস্থিতি গরম করে দিয়ে সেই মাসটিকে অমুসলিমদের কাছে আতঙ্ক ও ভয়ের মাসে পরিণত করে দেওয়ার দায়িত্ব কি একশ্রেণীর মুনাফালোভী ব্যবসায়ী ভাইয়েরা নিবেন?

[রমজানে মুসলমানদের তো সাহরি-ইফতার ইত্যাদির বাধ্যবাধকতা আছে। দাম বেশি কিংবা কম হোক মুসলিমরা জরুরি পণ্যদ্রব্য সংগ্রহ করে থাকেন কিংবা চেষ্টা করেন। কিন্তু অমুসলিমদের তো এ বাধ্যবাধকতা ও পুণ্যধারণা নেই। তারপরও আমাদের একশ্রেণীর ব্যবসায়ী ভাইয়েরা তাদের সামনে রমজান মাসটিকে একটি ভয় ও আতঙ্কের মাস হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন!]

এটা কত বড় ভয়ের কথা, আল্লাহ তাআলা আমাদের চিন্তা করার তাওফিক দিন।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ