শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ ১৫ আগস্ট কেন্দ্র করে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগামীকালের জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জুলাই শহীদদের স্মরণে রংপুরে শায়খে চরমোনাইয়ের দোয়া ও ইসলাহি ইজতেমা

কিডনির পাথর দূর করুন তিন উপায়ে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কিডনিতে পাথর জমার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। যদিও এটি সাধারণ স্বাস্থ্যগত সমস্যা, তবে অনেকের ক্ষেত্রেই এটি মারাত্মক হতে পারে। প্রথমেই জেনে নিন কিডনিতে পাথর জমে কীভাবে? আর এই পাথরগুলো আসলে কী?

কিডনিতে যে পাথরগুলো জমে সেগুলেকে রেনাল পাথর বা নেফ্রোলিথিয়াসিস বলা হয়। কঠিন বর্জ্য পদার্থ দিয়ে গঠিত হয় এই পাথরগুলো। ক্যালসিয়াম অক্সালেট, স্ট্রুভাইট, ইউরিক অ্যাসিড এবং সিস্টাইন মিলে কিডনির পাথরগুলো তৈরি হয়।

এ বিষয়ে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কিডনি রোগ বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. এম এ সামাদ বলেন, ‘কিডনির পাথর রোগটি খুব জটিল নয়। এখন সহজেই এটি নিরাময় করা সম্ভব।’

কিডনিতে পাথর হওয়া প্রসঙ্গে এই চিকিৎসক জানান, ‘ক্যালসিয়াম ও অক্সালেটের সংমিশ্রণেই পাথরের সৃষ্টি হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অর্থাৎ ৮০-৯০ ভাগ রোগীর কিডনিতে জমা পাথর নিয়মিত জীবনযাপনের মাধ্যমে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।’

তিনি আরও জানান, ‘মাত্র ৩ উপায়েই কিডনির পাথর দূর করা সম্ভব। আর তা হলো- দৈনিক আধা ঘণ্টা হাঁটা, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া ও পর্যাপ্ত পান পান করা। যাদের কিডনির পাথর মটরশুঁটির মতো আকার ধারণ করেছে তারা জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে ৪০-৫০ শতাংশ সুস্থ হতে পারেন।

কিডনিতে পাথর হলে কী খাবেন আর কী খাবেন না? এ বিষয়ে ডা. সামান বলেন, ‘এমন রোগীদের উচিত ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া। তবে দুধ খেতে পারবেন তারা। কারণ দুধের ক্যালসিয়াম শরীরের কোনো ক্ষতি করে না।’

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়ামের দৈনিক চাহিদা হলো ১০০০ মিলিগ্রাম। অন্যদিকে ৫০-৭০ বয়সীদের জন্য ১২০০ মিলিগ্রাম। তাই দৈনিক চাহিদা অনুযায়ী ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে হবে সবাইকে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ