বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
 ‘ডিএনসিসি’র হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা: আয়োজক ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৮৪ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, ইসরায়েলকে ইরানের হুঁশিয়ারি ১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত মাদরাসার বেতন সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অল্প বয়সেই হাফেজ হয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে রুবায়েত ও মৃদুল বিশ্বকাপে বিশেষ সম্মান পেল কালিমাখচিত সৌদির পতাকা বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, বন্ধ থাকবে ৯২টি চা বাগান কবিতায় ‘কাঠপেন্সিল তরুণ লেখক পুরস্কার’ পাচ্ছেন জিয়া হক আমি না-থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না : ট্রাম্প ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে আবার সোনালি যুগে ফিরিয়ে নিতে চাই’

নিজ সন্তানকে গলা টিপে হত্যা করলেন ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষিকা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

যাকওয়ানুল হক চৌধুরী
সিলেট প্রতিনিধি

নিজের ১৬মাস বয়সী শিশুসন্তানকে বালিশচাপা ও গলাটিপে শ্বাসরোধে হত্যা করেন গর্ভধারীণী মা নাজমিন। সিলেট নগরীর শাহপরান নিপোবন-৪৯ এলাকায় বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নাজমিনের বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বাদেপাশা ইউনিয়নের কালিকৃষ্ণপুর গ্রামের মো. জিয়া উদ্দিনের মেয়ে। তিনি সিলেটের একটি বেসরকারি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষিকা।

নিহত শিশুর নাম নুসরাত জাহান সাবিহা। শিশুটির বাবা সাব্বির আহমদ সিলেট দক্ষিণ সুরমার বলদি এলাকার বাসিন্দা ও কাতার প্রবাসী।

সম্প্রতি সাব্বির দেশে ছুটিতে এসেছেন। কিন্তু সাব্বিরের সঙ্গে নাজমিনের বনিবনা না থাকায় তিনি (নাজমিন) শাহপরাণ এলাকার নিপোবন-৪৯ এ আলাদা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। সঙ্গে তার ছোট বোন ও আগের স্বামীর ঘরের ১১ বছরের এক সন্তান থাকতেন।

বর্তমান স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ে বুধবার বেলা ২টার দিকে ১৬ মাস বয়েসি শিশু সাবিহার মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন নাজমিন। এসময় বিষয়টি দেখতে পেয়ে নাজমিনের কবল থেকে তার বোন ও বাড়িওয়ালী শিশুটিকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক সাবিহাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এসময় হাসপাতাল থেকে নাজমিন পালাতে চেষ্টা করলে উপস্থিত লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে কোতোয়ালি থানার একদল পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই শিশুর বাবা সাব্বির আহমদকেও পুলিশ থানায় নিয়ে আসে।

কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে আমাদের কাছে নাজমিন বালিশচাপা ও গলাটিপে ধরার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। থানায় ওই শিশুর বাবাও রয়েছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ