শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬ ।। ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৮ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংঘাতের আগেই হরমুজ ছেড়ে আসা ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পবিত্র রমজান মাসে কারও কষ্টের কারণ না হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ফেনীতে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নিম্নবিত্তদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া বৃহত্তর মিরপুরের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের ৬ই শাওয়াল থেকে ভর্তি নিবে নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ শাশ্বত অনুপ্রেরণার উৎস: পীর সাহেব চরমোনাই ৫ শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে খলিফা ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘আরও ২টি ভেসেল আসছে, জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই’ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করায় আইআরজিসির ড্রোন হামলা

নিজ সন্তানকে গলা টিপে হত্যা করলেন ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষিকা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

যাকওয়ানুল হক চৌধুরী
সিলেট প্রতিনিধি

নিজের ১৬মাস বয়সী শিশুসন্তানকে বালিশচাপা ও গলাটিপে শ্বাসরোধে হত্যা করেন গর্ভধারীণী মা নাজমিন। সিলেট নগরীর শাহপরান নিপোবন-৪৯ এলাকায় বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নাজমিনের বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বাদেপাশা ইউনিয়নের কালিকৃষ্ণপুর গ্রামের মো. জিয়া উদ্দিনের মেয়ে। তিনি সিলেটের একটি বেসরকারি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষিকা।

নিহত শিশুর নাম নুসরাত জাহান সাবিহা। শিশুটির বাবা সাব্বির আহমদ সিলেট দক্ষিণ সুরমার বলদি এলাকার বাসিন্দা ও কাতার প্রবাসী।

সম্প্রতি সাব্বির দেশে ছুটিতে এসেছেন। কিন্তু সাব্বিরের সঙ্গে নাজমিনের বনিবনা না থাকায় তিনি (নাজমিন) শাহপরাণ এলাকার নিপোবন-৪৯ এ আলাদা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। সঙ্গে তার ছোট বোন ও আগের স্বামীর ঘরের ১১ বছরের এক সন্তান থাকতেন।

বর্তমান স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ে বুধবার বেলা ২টার দিকে ১৬ মাস বয়েসি শিশু সাবিহার মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন নাজমিন। এসময় বিষয়টি দেখতে পেয়ে নাজমিনের কবল থেকে তার বোন ও বাড়িওয়ালী শিশুটিকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক সাবিহাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এসময় হাসপাতাল থেকে নাজমিন পালাতে চেষ্টা করলে উপস্থিত লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে কোতোয়ালি থানার একদল পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই শিশুর বাবা সাব্বির আহমদকেও পুলিশ থানায় নিয়ে আসে।

কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে আমাদের কাছে নাজমিন বালিশচাপা ও গলাটিপে ধরার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। থানায় ওই শিশুর বাবাও রয়েছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ