বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ।। ১২ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
উলুমুল হাদিসসহ ‘জামিয়া মারকাযুস সুন্নাহ’র সকল বিভাগে ভর্তি শুরু পশ্চিমবঙ্গে একজন মুসলিম নেতা প্রয়োজন: ওয়াইসি নানুপুর জামিয়ার ‘উচ্চতর হাদীস গবেষণা বিভাগে’ ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা দৌলতদিয়া ঘাটে বাস দুর্ঘটনায় জমিয়তের শোক দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস দুর্ঘটনায় পীর সাহেব চরমোনাইয়ের শোক  দীর্ঘ ১৮ বছর পর কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন জামিয়া মুহিউস সুন্নাহ আজমপুর-এ নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি শুরু চট্টগ্রামে ট্রেনের আগুন নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশী প্রবাসীদের জন্য সৌদি আরবের জরুরি বার্তা ‘ঈদযাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ ছিল না’

প্রচলিত বাথরুমে অযুর দুআ পড়া যাবে কি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ওমর ফারুক তাসনীম নামে একজন জানতে চেয়েছেন, আমাদের দেশের বাথরুম বলতে আমরা সাধারনত বুঝি যে,যেখানে একই সাথে গোসল, পেশাব, পায়খানা করা যায়।

আমার প্রশ্নটি হচ্ছে বাথরুমে তো জিকির করা যাবে না। তাহলে যখন আমরা বাথরুমে অযু করবো তখন কি অযুর দোআ করব কিনা? অযু করার সময় প্রতি অঙ্গ ধোবার সময় কালেমায়ে শাহাদাৎ পড়া যাবে কিনা?

উত্তর-

যদি বাথরুমের ভিতর টয়লেট তথা পায়খানা করার কমোড ও অযু করার ট্যাপের মাঝখানে কোন দেয়াল থাকে, তাহলে অযুর দুআ ও অন্যান্য দুআ অযুর সময় পড়া যাবে।

কিন্তু যদি মা কমোড ও অযু করার ট্যাপের মাঝে কোন দেয়াল না থাকে, তাহলে দুআ পড়া যাবে না।

আর বর্তমানের এটাচট বাথরুমগুলোতে মাঝখানে সাধারণত দেয়াল থাকে না, তাই এসব বাথরুমে অযু করার সময় মুখে উচ্চারণ করে দুআ করা যাবে না। তবে মুখে উচ্চারণ না করে মনে মনে করা যাবে।

“ويدخل الخلاء” – ممدودا – المتوضأ والمراد بيت التغوط “برجله اليسرى” ابتداء مستور الرأس استحبابا تكرمة لليمنى لأنه مستقذر يحضره الشيطان “و” لهذا “يستعيذ” أي يعتصم “بالله من الشيطان الرجيم قبل دخوله” وقبل كشف عورته الخ

قوله: “قبل دخوله” الأولى التفصيل وهو إن كان المكان معدا لذلك يقول قبل الدخول وإن كان غير معد له كالصحراء ففي أو إن الشروع كتشمه الثياب مثلا قبل كشف العورة وإن نسي ذلك أتى به في نفسه لا بلسانه (حاشية الطحطاوى على مراقى الفلاح-51)

(قَوْلُهُ: إلَّا حَالَ انْكِشَافٍ إلَخْ) الظَّاهِرُ أَنَّ الْمُرَادَ أَنَّهُ يُسَمِّي قَبْلَ رَفْعِ ثِيَابِهِ إنْ كَانَ فِي غَيْرِ الْمَكَانِ الْمُعَدِّ لِقَضَاءِ الْحَاجَةِ، وَإِلَّا فَقَبْلَ دُخُولِهِ، فَلَوْ نَسِيَ فِيهِمَا سَمَّى بِقَلْبِهِ، وَلَا يُحَرِّكُ لِسَانَهُ تَعْظِيمًا لِاسْمِ اللَّهِ تَعَالَى (رد المحتار، كتاب الطهارة، باب سنن الوضوء-1/227)

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ