শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের ২৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? তানযীমুল আইম্মাহ ওয়াল উলামার উদ্যোগে দুই পর্বে সিরাত প্রতিযোগিতা নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ৪৬৯, এখনও নিখোঁজ ১৪৬৮ আমিরে মজলিসের তত্ত্বাবধানে ৫০ হুইলচেয়ার ও ৫০ ভ্যান বিতরণ কুমিল্লায় খেলাফত মজলিসের উলামা ও সুধী সমাবেশ সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা লখনৌয়ে ১২ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অধিবেশনের সমাপ্তি কিশোরগঞ্জের জামিআ আবু বকরে ভাষা-সাহিত্যের বিশেষ কোর্স শুরু 

৭৪ বছর পর দুই ভাইয়ের পুনর্মিলনের গল্প কাঁদালো ভারত ও পাকিস্তানকে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ৭৪ বছর ধরে দুই ভাই একে অপরের অবস্থান সম্পর্কে বা অন্যজন এখনও জীবিত আছেন কিনা সে সম্পর্কে কিছুই জানতে পারেনি। অবশেষে পাকিস্তান-ভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল পাঞ্জাবি লেহারের একটি ভিডিও তাদের পুনর্মিলন ঘটিয়ে দেয়।

৭৪ বছর বিচ্ছেদে থাকা দুই ভাই একে অপরকে ছুঁয়ে দেখলেন। জড়িয়ে ধরলেন। মশগুল হলেন ছোটবেলার গল্পে। ভারত ও পাকিস্তানের কাঁটা তারের বেড়ায় বিচ্ছিন্ন হয়েছেন বহু মানুষ। বিচ্ছিন্ন হয়েছেন বহু ভাই। এমনই দুই ভাই সিদ্দিক ও হাবিব। যে দুইভাইকে বিচ্ছিন্ন করেছিল ১৯৪৭ সালের দেশভাগ।

পাঞ্জাবি লেহার নামের জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেলটি চালান নাসির ঢিলন এবং লাভলি সিং নামের দুই ব্যক্তি। ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে ভাগ হয়ে যাওয়া দুই পাঞ্জাবের পরিবারগুলোর পুনর্মিলনে কাজ করেন তারা।

বর্তমানে সিদ্দিক পাকিস্তানের ফৈজলাবাদের বাসিন্দা। আর হাবিব থাকেন ভারতের পাঞ্জাবের ফুল্লানওয়ালে। দুই ভাই ৭৪ বছর পর একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন কার্তারপুর করিডরে। ভারত-পাক সীমান্ত লাগোয়া পাকিস্তানের গুরু দরবার সাহিবে এই মিলন দৃশ্য ততক্ষণে আনন্দাশ্রু এনে দিয়েছে বহুজনের চোখে।

জানা যায়, দেশভাগ যখন হয়েছিল, তখন সিদ্দিক খুবই ছোট। সে পাকিস্তানে বড় হতে থাকে। আর বাবার সঙ্গে ভারতের বুকে বেড়ে উঠতে থাকে বড় ভাই হাবিব। ফের একবার ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করে উচ্ছ্বসিত হাবিব ফিরে যান ছোটবেলার কথায়। প্রবীণ এই ভারতীয় প্রশংসা করেন এমন মিলনের নেপথ্যে থাকা উদ্যোগের।

ভাইকে জানান, এই করিডর দিয়েই ফের তারা দেখা করবেন। দুই ভাই ভারত ও পাকিস্তানের সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। ভিসাহীনভাবে এই সাক্ষাতে পাকিস্তান সরকারের অনুমোদনকেও স্বাগত জানান হাবিব।

২০১৯ সালে ৪.৭ কিলোমিটারের কার্তারপুর করিডরকে ফের একবার খুলে দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর করোনার কারণে সেই রাস্তা বন্ধ হয়। আর সেই কার্তারপুরই সাক্ষী রইল এক বিরল দৃশ্যের। যে ভারত-পাক সীমান্ত, বহু রক্তস্নাত অধ্যায়, বহু বিচ্ছেদের আর্তনাদের সাক্ষী, সেই সীমান্তেই আবারও পুর্নমিলনের আনন্দাশ্রু ঝরে পড়ল।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ