মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
আতঙ্কিত হয়ে আমানত তোলা গ্রাহকদের বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে ইসলামী ব্যাংক তৃণমূলে সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জমিয়ত মহাসচিবের দারুল উলুম সাবিলুস সালাম হায়দরাবাদের শায়খুল হাদিসের ইন্তেকাল দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে, বিস্তারিত শিগগির প্রকাশ হবে: ট্রাম্প সৌদি আরবে হিজরি নববর্ষ শুরু, ২৫ জুন পবিত্র আশুরা ৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘সংসদীয় আসনসমূহে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খবরটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া হেফাজতের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দ্রুত ওজন কমাতে দৈনন্দিন রুটিনে আনুন ৫ পরিবর্তন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: শরীরের বাড়তি মেদ আমাদের অনেকেরই চিন্তার কারণ। এটি নিয়ে একদিকে যেমন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়, তেমনি নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিও দেখা দেয়। জটিল এ সমস্যার সহজ সমাধান মিলতে পারে সহজেই। জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন আনলেই ওজন কমিয়ে ঝরঝরে হওয়া সম্ভব।

যদিও বিভিন্ন লোকের ওজন ভিন্নভাবে কমে থাকে। তবে বেশিরভাগ লোকেরই সমস্যা ক্ষেত্র হিসেবেই থাকে পেটের মেদ। পেটের মেদ একবার হয়ে গেলে তা থেকে মুক্তি পাওয়া বেশিরভাগ মানুষের জন্যেই কঠিন হয়ে পড়ে।

এ ছাড়া পেটের চর্বি বা মেদ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও বড় ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে ও মেদ কমাতে সহায়তা করতে পারে একটি সুস্থ ও সুন্দর জীবনধারা। তাই জেনে নিন মেদ কমাতে যে জীবনধারায় আনবেন ৫ পরিবর্তন—

১. হাইড্রেটেড থাকা বা বেশি বেশি পানি পান করা ওজন কমানো ও স্বাস্থ্য বজায় রাখার সর্বোত্তম উপায়। এর জন্য আপনি ডিটক্স ওয়াটার, গ্রিন টি, ব্ল্যাক টি, ব্ল্যাক কফি, ফলের জুস ইত্যাদি তরল পানীয় বেশি পান করতে পারেন। এ ধরনের পানীয় আপনার স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং পেটের মেদ কমাতেও সাহায্য করবে।

২. চিনিযুক্ত খাবারগুলো সাধারণত অক্সিটোসিনে পূর্ণ থাকে। চিনি সমৃদ্ধ যে কোনো খাবার অনেক সুস্বাদু হলেও এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকরও বটে। এগুলোকে ধীর বিষ হিসেবেও বলা হয়ে থাকে। তাই এ ধরনের খাবারগুলো পরিহার করতে হবে।

৩. প্রোটিন জাতীয় খাবার আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরা থাকতে সহায়তা করে। কারণ এ ধরনের খাবারগুলো হজম হতে সময় নেয়। তাই এগুলো মেদ কম হতেও সহায়তা করে। এ জন্য আপনার ডায়েটে সেরা খাবার হিসেবে ডাল, ওটস, সবুজ শাকসবজি, ডিম এবং বাদাম রাখতে পারেন।

৪. লবণে থাকা সোডিয়াম আমাদের শরীরের ফোলাভাব কমায়, যা বিপাককে ধীর করে দেয়। একটি ধীর বিপাকীয় হার একজনের পক্ষে ওজন হ্রাস করা কঠিন করে তোলে। তাই যতটা সম্ভব কম লবণ খাওয়া ভালো।

৫. পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবারগুলো ওজন কমানোর জন্য অনেক বেশি কার্যকরী ও সহায়ক। বিপরীতে রুটি, আটা, বিস্কুট ও অন্যান্য খাবার পরিশোধিত শস্য থেকে করার কারণে তা ওজন কমাতে কম সহায়ক হিসেবে কাজ করে। তাই আপনার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পুরো শস্যজাতীয় খাবার যোগ করুন। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ