বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাটহাজারীতে আলেম ও তাঁর শাশুড়িকে নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন: আল-হাইআতুল উলয়া লন্ডনে আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত মুফতি তাকি উসমানি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ

স্ত্রী হত্যার দায়ে সাতক্ষীরায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সাতক্ষীরায় স্ত্রী শিপ্রা ঘোষকে হত্যার দায়ে স্বামী কার্তিক ঘোষকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় অপর পাঁচ আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

রোববার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে সাতক্ষীরা জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক এমজি আজম এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় কার্তিক ঘোষ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৩ মে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার রাজেন্দ্রপুর গ্রামে যৌতুকের কারণে স্বামী কার্তিক ঘোষসহ তার মা ও বোনেদের বিরুদ্ধে স্ত্রী শিপ্রা ঘোষকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় শিপ্রা ঘোষের মা খুলনার নমিতা ঘোষ পরদিন পাটকেলঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পাটকেলঘাটা থানার তৎকালীন এসআই নাসিরউদ্দীন কার্তিক ঘোষ, মা যুথিকা ঘোষ, বোন চায়না ঘোষ, সুন্দরী ঘোষ, ভগ্নিপতি জয়দেব ঘোষ ও চাচাতো ভাই সুভাষ ঘোষকে আসামি করে ২০১০ সালের ১৩ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দেন। ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি এ মামলার চার্জ গঠন করা হয়। আদালতে এ ঘটনায় ১৮ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। বিচারে আদালত কার্তিক ঘোষকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেন। একই সময় অপর পাঁচজনকে বেকসুর খালাস দেন।

মামলার বাদী নমিতা ঘোষ বলেন, আমার মেয়েকে হত্যায় কার্তিকসহ ৬ জন জড়িত। অথচ ফাঁসির আদেশ হলো একজনের। এ জন্য এ রায়ে আমি খুশি না।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাড. জহুরুল হায়দর বাবু বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলার আসামির অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

-কেএল