রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে টঙ্গীতে মহাসড়ক অবরোধ কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল তামীরুল মিল্লাত মাদ্রাসাছাত্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ বগুড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ প্রধানমন্ত্রীর হাটহাজারী মাদরাসায় আগমন ঘিরে আলেমদের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত বাবুনগর মাদরাসা কে হচ্ছেন জামায়াত জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী? মক্কায় বিশ্ব কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন ১৩৩ দেশের ৩৩৪ প্রতিযোগী শায়খ আহমাদুল্লাহর সঙ্গে দাওয়াহ কাজে যুক্ত হওয়ার সুযোগ

‘সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বর্তমানে আমরা ডিজিটাইজেশনের সুফল ভোগ করছি। কিন্তু এর কুফলও আছে। সেটা হচ্ছে সাইবার অপরাধ। এটিকে মোকাবিলা করতে হবে। এজন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে।

রোববার (৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে জেলা ও দায়রা জজ এবং মহানগর দায়রা জজদের ২৫তম জুডিশিয়াল এডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, এই আইনে যেসব অপরাধ আনা হয়েছে, তা পেনাল কোডেও আছে। প্রশ্ন আসতে পারে, তাহলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজনীয়তা কী ছিল। উত্তর হচ্ছে পেনাল কোডে যেটা আছে, সেটা ডিজিটালি করলে আইনের দিক থেকে তা অপরাধ নয়। সেজন্যই ডিজিটাল অপরাধ প্রতিরোধ করার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে।

আনিসুল হক বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের পাতায় পাতায় গণতন্ত্রকে জোরদার করার কথা বলা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাক-স্বাধীনতা বা সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতা বন্ধ করার জন্য করা হয়নি।

তিনি বলেন, মামলাজট কমাতে উদ্ভাবনী চিন্তা করতে হবে ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতির ওপর জোর দিতে হবে। গতানুগতিক ধারায় মামলাজট কমাতে গেলে বেশ সময় লাগবে। সেজন্য এ ব্যাপারে অবিরাম চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশে একটি সুদক্ষ ও বিশ্বমানের বিচার বিভাগ গড়ে তুলতে চায়। এরই অংশ হিসেবে বিচার বিভাগের জন্য অত্যাধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। বিচারকদের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে মাত্র সাড়ে তিন বছরে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, চীন ও জাপানে ৮৫৫ জন বিচারককে উন্নতমানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। করোনার প্রাদুর্ভাব না হলে এ সংখ্যা এতদিনে হয়তো ১৫০০ ছাড়িয়ে যেত। দেশিও প্রশিক্ষণ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

'দেশেই বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে মাদারীপুর জেলার শিবচরে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল একাডেমী গড়ে তোলা হবে। এখানে দেশিও বিচারকদের পাশাপাশি সারা দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিচারকদের প্রশিক্ষণ প্রদানের উপযোগী একাডেমী গড়ে তোলা হবে। এর কাজ আগামী বছর শুরু করা হবে,' বলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ