রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘স্বৈরাচারী আমলে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত ব্যক্তিস্বার্থে পরিচালিত হয়েছে’  অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের কারণ জানালেন আমিরে মজলিস প্রধানমন্ত্রীর কাছে হেফাজতে ইসলামের ৯ দফা দাবি সন্ধান মিলল জামেয়া দারুল মাআরিফের নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর হেফাজত আমিরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, মতবিনিময় টাকায় বিদেশ ভ্রমণের প্যাকেজ বিক্রির সুযোগ পেল ট্যুর অপারেটররা ‘তথ্যনির্ভর নাগরিক সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন মাদরাসা শিক্ষার্থীরা’ প্রত্নতত্ত্বকে ‘হাতিয়ার’ করে ফিলিস্তিনি ভূমি দখলের অভিযোগ ইসরাইলের বিরুদ্ধে ট্রাক-লরি-সিএনজির ত্রিমুখী সংঘর্ষে ২ জন  নিহত   লন্ডনে খেলাফত মজলিসের গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত

মতের অমিলে হাইকোর্টের এক বেঞ্চে বিচারকাজ বন্ধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একজন কর্মকর্তাকে হাইকোর্টে সার্বক্ষণিক রাখা যায় কি-না তা নিয়ে দুই বিচারপতির মতের অমিল হওয়ায় হাইকোর্টের একটি বেঞ্চের বিচারকাজ বন্ধ হয়ে যায়।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়।

শুনানি শুরু হলে দুদকের আইনজীবী বলেন, দুদকে জনবল সংকট রয়েছে। এ কারণে কোর্টে সার্বক্ষণিক একজন অফিসার বসিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

এ সময় বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‌‘দুদকের মামলা যারা ঠিকমতো তদন্ত করতে পারছেন না তাদেরকে কোর্টে এনে বসিয়ে রাখুন।’ তখন বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমান বলেন, ‘দুদকের কী আর কাজ নেই, একজন অফিসার এখানে এসে বসে থাকবেন।’

এ সময় জ্যেষ্ঠ বিচারপতি বলেন, ‘বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি এত কথা বললে তো সমস্যা।’ কনিষ্ঠ বিচারপতি জবাবে বলেন, ‘তাহলে বেঞ্চে দুই বিচারপতি রাখার দরকার কী?’

এরপর কনিষ্ঠ বিচারপতির প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে এজলাস ছেড়ে চলে যান জ্যেষ্ঠ বিচারপতি। এর আগে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার দুদককে বলেছিলেন, এই আদালতে দুদকের অনেক মামলার শুনানি হয়। এই বেঞ্চে একজন সার্বক্ষণিক দুদক কর্মকর্তা রাখা যায় কি-না, সে বিষয়টি দেখতে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ