সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বৃক্ষমেলায় বিপুল টাকার লেনদেন প্রমাণ করে তরুণ সমাজ ‘সবুজ অর্থনীতি’ গড়তে প্রস্তুত’  রাষ্ট্রপতি হতে যেসব যোগ্যতা প্রয়োজন প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাদপন্থীদের ইজতেমা বন্ধের দাবি হেফাজতের রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান উপলক্ষে ৬ কমিটি গঠন দেশ এগিয়ে নিতে হেফাজতে ইসলামকে পাশে চান প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও জুনায়েদ বাবুনগরীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী ‘আলেমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মুলাকাতের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে কল্যাণের উপলক্ষ হবে’ দাখিলের ফল প্রকাশ আগামীকাল, জানবেন যেভাবে ‘স্বৈরাচারী আমলে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত ব্যক্তিস্বার্থে পরিচালিত হয়েছে’ 

‘খ’ ইউনিটে প্রথম হাবিব প্রতিষ্ঠিত হয়ে রাজনীতিতে আসতে চান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'খ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী মো. জাকারিয়ার বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামে।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, এই সাফল্যের পেছনে মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। স্বপ্ন দেখেন, আইনের ওপর পড়ালেখা শেষ করে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার।

জাকারিয়ার বাবা শহিদুল ইসলাম সেলিম ঢাকার গাজীপুরে একটি ওষুধ কোম্পানিতে কর্মরত। তার মা কাজী তাহেরা পারভীন জাকিয়া বরিশালের বাখেরগঞ্জের দুধলমৌ গ্রামে একটি মাদ্রাসার শিক্ষক। এই দম্পতির দুই সন্তানের মধ্যে জাকারিয়া বড়। তাদের ছোট ছেলে মো. জারির হোসেন মাদ্রাসায় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

আজ বুধবার দুপুরে মোবাইলে তাহেরা পারভীনের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। আলাচারিতার এক পর্যায়ে জাকারিয়ার সঙ্গেও কথা হয়। তিনি বলেন, মায়ের অনুপ্রেরণাই আমার সাফল্যের মূল শক্তি। আমি ক্যাম্পাসে রাজনীতিতে জড়াতে চাই না। আইন বিষয়ে লেখাপড়া করে আগে আইনজ্ঞ হতে চাই। এর পরে রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে দেশ ও মানুষের সেবা করতে চাই।

মা তাহেরা পারভীন বলেন, ছোটবেলা থেকেই জাকারিয়া লেখাপড়ায় মনোযোগী। ২০১১ সালে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিল। এর পর পাশের গ্রামের পাঙ্গাশিয়া নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসায় তাকে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে ভর্তি করা হন ঢাকার ডেমরা এলাকার দারুন নাজাত কামিল মাদ্রাসায়।

সেখান থেকে ২০১৮ সালে দাখিল ও ২০২০ সালে আলিম পরীক্ষায় পাস করে ঢাবির 'খ' ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর আগে ষষ্ঠ শ্রেণি পাসের পর দুই বছরে কোরআনে 'হাফেজ' হন।

জাকারিয়ার সাফল্যে এলাকাবাসীও বেজায় খুশি। এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য আবু জাফর তালুকদার বলেন, জাকারিয়া আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমরা তার উন্নতি কামনা করি। প্রতিবেশি কবির হোসেন বলেন, জাকারিয়া অত্যন্ত বিনয়ী ও সহানুভূতিশীল। তার সাফল্যে আমরাও গর্বিত।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ