শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ

চায়ে দুধ দেওয়ার মজার কারণ জানেন কি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাসিম ইমরান: চা অনেক মানুষের প্রিয় পানীয়, অনেক মানুষ চা ছাড়া জীবন কল্পনা করতে পারে না। চা স্বাস্থ্যের জন্যও অনেকটা উপকারী। তবে এটি পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করতে হবে, কারণ অতিরিক্ত চা পান করা ক্ষতিকর হতে পারে। কিন্তু স্বাস্থ্য উপকারিতা বা পরিমাণ যাই হোক, বলুন তো চায়ে দুধ মেশানো হয় কেনো?

আসলে চায়ে দুধ যোগ করার ইতিহাস এবং কারণ খুবই মজার। এবং হ্যাঁ, স্বাদের সাথে এ কারণটির তেমন কোনো সম্পর্ক ছিল না।

জানা যায় ব্রিটিশদের দ্বারাই উপমহাদেশে চা প্রবর্তিত হয়েছিল এবং তাদের কাছ থেকেই আমরা এই পানীয় তৈরির পদ্ধতি শিখেছি এবং গ্রহণ করেছি।

অষ্টাদশ শতকে ব্রিটিশরা কেটলিতে চা তৈরির সময় দুধ মেশাত। সেই সময় চা একটি অভিজাত পানীয় হিসাবে বিবেচিত হত এবং চীনামাটির কাপে চা পান করা হতো।

কিন্তু অনেকেরই চীনামাটির কাপ কেনার সামর্থ্য ছিল না। এবং চীনামাটির কাপের একটি সমস্যা ছিল এই কাপে গরম চা ঢালার পর তাপের কারণে সিরামিকে ফাটল দেখা দিতো। এ সমস্যার সমাধান হয়েছে দুধের মাধ্যমে। অর্থাৎ প্রথমে কাপে দুধ ঢেলে তারপর চা ঢেলে দেওয়া হয়। ঠাণ্ডা দুধ চাকে ঠান্ডা করে যাতে কাপটি ভেঙে না যায়। অন্যদিকে পানীয়ের তিক্ততা হ্রাস পায়, যার অর্থ একটি অতিরিক্ত সুবিধা।

তখনকার দিনে চা-পাতা এতটাই মূল্যবান ছিল যে অনেক পরিবারই সেগুলো বেশি পরিমাণে ব্যবহার করতে পারত না। তাই তারা বেশি দুধ এবং এক চিমটি পাতা দিয়ে চা পান করত, এবং এভাবেই দুধ-চা'র জন্ম হয় ।

শিক্ষার্থী: মাহাদুল ফিকরি ওয়াদদিরাসাতিল ইসলামিয়া, ঢাকা।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ