বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
যেভাবে দোয়া করলে আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না ‘শিক্ষার্থীদের জীবনে সিরাতের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে’ দক্ষতা উন্নয়নে আস-সুন্নাহর স্মল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কোর্সে ভর্তি চলছে ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা দক্ষিণের পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিষদের শপথ গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে ‘হাদিস’ বলা সেই কর্মকর্তাকে নিজ পদ থেকে অব্যাহতি দেশের জন্য শুধু আমরাই কথা বলছি, চারদিকে নীরবতা: মাওলানা ফজলুর রহমান ৪ নভেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি রাজধানীতে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে সরকারের ব্যর্থতাও দায়ী: ইসলামী আন্দোলন স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে নরসিংদীতে বিকেএমের মতবিনিময়

বার ও ক্যাসিনোতে যিনি দীনের দাওয়াত পৌঁছে দিয়েছেন: শায়েখ নেয়ামতুল্লাহ খোজা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ওয়ালিউল্লাহ আব্দুল জলীল।।

১৯৭৯ সালের কথা, জার্মানির বার্লিনে শায়েখ নেয়ামতুল্লাহ তুর্কিদের এক মসজিদে বয়ান করছিলেন। দুই-তিন ঘণ্টা বয়ান করার পর শ্রোতাদের জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের আর লোকজন কোথায়?

শ্রোতারা বলল, তাদের কথা কেন জিজ্ঞেস করছেন? আমাদেরকে বয়ান করুন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুনে যাব। শায়েখ বললেন, আমাকে বলো তারা কোথায়, আমি তাদের কাছে যেতে চাই।

শ্রোতারা জবাব দিল, তারা তো পানশালায়। শায়েখ বললেন, আমি তাদের কাছে যাব। আমার সঙ্গে একজন রাহবার দাও। শায়েখ রাহবারের সঙ্গে পানশালায় গেলেন। একেবারে তাদের মাঝখানে গিয়ে দাঁড়ালেন। সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন, হে মুজাহিদরা, আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ!

তারা একে অপরের দিকে তাকাতে লাগল। এখানে মুজাহিদ কোত্থেকে এল? শায়েখ বললেন, তোমরাই তো মুজাহিদ। তিন কারণে তোমরা মুজাহিদ: এক. তোমরা মুসলিম নাম নিয়ে জার্মানিতে চলা-ফেরা করছ। তোমাদের একেকজনের নাম, আহমদ, খলীল, ইবরাহীম ইত্যাদি। তোমাদের নামই তো মানুষকে ইসলামের কথা মনে করিয়ে দেয়।

দুই. তোমরা জার্মানিতে এসেছো মা-বাবা, সন্তান-সন্ততির জন্য হা লাল রিজিকের সন্ধানে। এটাও তো এক প্রকার জিহাদ। তিন. তোমরা উসমানীদের বংশধর। তারা ছিলেন মুজাহিদ। সে হিসেবে তোমরা তো মুজাহিদদের উত্তর পুরুষ।

এরপর শায়েখ বলতে লাগলেন, আমি মদিনা শরীফ থেকে এসেছি। সেখান থেকে তোমাদের জন্য সুসংবাদ নিয়ে এসেছি। সুসংবাদ হল, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ বলবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তোমরা এই কালেমা পড়লে তোমাদের দরুন আল্লাহ আমাকে প্রতিদান দেবেন।

সবাই সমস্বরে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ বলে উঠল। তিনি বললেন, বহু বছর ধরে আমি মসজিদে মানুষকে দ্বীনের কথা বলি। তোমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা আমার কর্তব্য ছিল। যেমনিভাবে নবীগণ মানুষের সভা-সমাবেশে গিয়ে সত্যধর্মের দাওয়াত দিতেন।

শায়েখের কথায় সবাই ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল। তারা শায়েখকে আরো কিছু বলতে অনুরোধ করতে লাগল। বলল, একটু বসুন, এখানকার ইট তো আর হারাম নয়।

শায়েখ বললেন, এখানে বসার অর্থ হল, হারাম কাজে সঙ্গ দেয়া। যাইহোক এখন তোমরা জান্নাতবাসী। এখন আমি অন্যদের দাওয়াত দিতে যাব।

তারা আরো কিছু বলতে অনুরোধ করল। শায়েখ বললেন, কতক্ষণ আর কথা বলব? তোমরা তো এখন পরকালের জান্নাতের বাসিন্দা,