শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৬ মাঘ ১৪৩২ ।। ১১ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় ৫৬ বাংলাদেশিসহ ২১৮ অবৈধ অভিবাসী আটক মহিলা সমাবেশ ডেকেও স্থগিত করল জামায়াত মসজিদে নববীতে আগতদের সেবা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ বন্দি বিনিময়ের শেষ ধাপে ১৫ ফিলিস্তিনির মরদেহ হস্তান্তর করল ইসরায়েল পর্দাহীন নারীদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের সেলফি নিয়ে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের সমালোচনা ‘আমরা বিদায় নিতে প্রস্তুত, অনেক উপদেষ্টা কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন’ শেরপুরে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় ইউএনও–ওসি প্রত্যাহার এআই ব্যবহৃত কোরআনের ব্যাখ্যা অগ্রহণযোগ্য, মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি দ্বিতীয়বারের মতো চাঁটিগাও বিজয় দিবস পালিত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনকালীন ছুটি বাস্তবায়নে চিঠি

পাকিস্তানে নিজেকে নবী দাবি করা এক নারীর মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ধর্ম অবমাননার অপরাধে পাকিস্তানের একটি আদালত সালমা তানভীর নামের একজন নারী স্কুল অধ্যক্ষকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। সালমা লাহোরের নিশতার কলোনির একটি বেসরকারি স্কুলের অধ্যক্ষ ছিলেন।

লাহোরের একটি জেলা ও দায়রা আদালত সোমবার তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে এবং ৫ হাজার রুপি (২৯ ডলার) জরিমানা করেছে।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মনসুর আহমদ রায়ের পর্যবেক্ষণ বলেন, মোহাম্মদ সা. ইসলাম ধর্মের শেষ নবী নন বলে ধর্ম অবমাননা করেছেন সালমা তানভীর। এ ছাড়া তিনি নিজেকে ইসলামের একজন নবী বলেও দাবি করেছেন।

লাহোর পুলিশ ২০১৩ সালে স্থানীয় এক আলেমের অভিযোগের ভিত্তিতে তানভীরের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার মামলা দায়ের করেছিল। তার বিরুদ্ধে নবী মোহাম্মদকে সা. শেষ নবী হিসেবে স্বীকার না করার অভিযোগ ছিল এবং তিনি নিজেকেও ইসলামের একজন নবী বলে দাবি করেছিলেন।

সালমা তানভীরের আইনজীবী মোহাম্মদ রমজান বলেন, তার মক্কেল ‘অস্থির মনের মানুষ’। আদালতকে এই বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া উচিত ছিল।

তবে আদালতে দাখিল করা পঞ্জাব ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেলথের একটি মেডিকেল বোর্ডের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ‘অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে বিকৃত না হওয়ায় বিচারের জন্য উপযুক্ত’।

পাকিস্তানের বিতর্কিত ধর্মঅবমাননা আইন এবং তাদের নির্ধারিত শাস্তি অত্যন্ত গুরুতর। ১৯৮৭ সাল থেকে পাকিস্তানে এই আইনে কমপক্ষে ১৪৭২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

ধর্মঅবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সাধারণত তাদের পছন্দের একজন আইনজীবী পাওয়ার অধিকার থেকেও বঞ্চিত হয়। কারণ অধিকাংশ আইনজীবী এই ধরনের সংবেদনশীল মামলায় ওকালতি করতে চান না।

ব্লাসফেমি আইন ঔপনিবেশিক যুগ থেকেই প্রচলিত ছিল। কিন্তু সাবেক স্বৈরশাসক জেনারেল জিয়াউল হক এই আইনে সংশোধন এনে শাস্তির তীব্রতা বাড়িয়েছেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ