মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সৌদি আরবে হিজরি নববর্ষ শুরু, ২৫ জুন পবিত্র আশুরা ৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘সংসদীয় আসনসমূহে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খবরটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া হেফাজতের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ পালনে রেকর্ড, পরিসংখ্যান জানালো সৌদি আরব সব ধর্ষণই সমান অপরাধ, ছোট-বড় সংজ্ঞা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসড়কে চলা অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: সংসদে মন্ত্রী মধ্যরাতের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস সৌদি থেকে ফিরিয়ে আনা ওমরাহযাত্রীর মৃত্যু, ধর্মমন্ত্রীর শোক

মুসান্নিফ বা লেখকের ঈসালে সওয়াবের এই বিষয়টি কখনো কি ভেবেছি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি আবু বকর সাদী: মুসলমান মাত্রই আমরা বিশ্বাস করি যে, কোন মাইয়্যেতের জন্য সওয়াব রেসানি করলে, সেটা তিনি কবরে পান। আমরা মৃত নিকটাত্মীয়দের জন্য দুআ করে থাকি। নফল ইবাদত করে তার সওয়াব কবরে প্রেরণের আমল করে থাকি। আর করবই না কেনো? এটা তো তাদের হক!

কিন্তু একটি জায়গায় আমরা খুব উদাসীন। সেটা হল, আমাদের পড়া কিতাবের মাতিন ও শারিহের জন্য দুআ করা। সত্যি করে বলুন তো, আমরা ক'জন এই আমল করে থাকি?

মা বাবা যেমন আমার অভিভাবক, ঠিক তেমনিভাবে শিক্ষকগণও আমার অভিভাবক। তবে যার কাছে কিতাবাদি পড়ে আলেম হয়েছি, তাদের জন্য মাঝে মধ্যে আমরা দুআ করি। কিন্তু যার কিতাব পড়ে আলেম হয়েছি বা জেনেছি, তার জন্য কি দুআ করি?

পঞ্চাশ টাকার একটি বই পড়ে, ওয়াজ করে পঞ্চাশ হাজার টাকা উপার্জন করছি। কখনো কি সেই আনন্দে একটি টাকাও সেই মুসান্নিফের জন্য সদকা করেছি? যে যাই বলুক, আমার কাছে বিষয়টা অসৌজন্যমূলক ও অকৃজ্ঞতা মনে হয়।

তাই নুরানী থেকে বুখারি পর্যন্ত বা আরো যত মুসান্নিফগণ আছেন তাদের জন্য অবশ্যই দুআ করবেন। এটি আমাদের উপর তাদের হক। কেননা তাদের সারাজীবনের মেহনতের একেকটি রেসালা আমরা এক বছরেই পড়ার সুযোগ পাচ্ছি। তারা যদি এই মেহনত না করতেন, কী অবস্থা হত আমাদের? আল্লাহ আমাদের এই বিষয়টির উপর আমল করার তাওফিক দিন। আমিন।

লেখক- প্রিন্সিপাল, মারকাযুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ