শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
আওয়ামী দোসরদের গ্রেফতার করলে পুরস্কার পাবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা ফের রিয়াদে হুথি হামলা, ড্রোন ভূপাতিতের দাবি সৌদির বিগত সরকারের টিকা না দেওয়ার খেসারত দিতে হচ্ছে আমাদের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জান্নাতের নেয়ামতের অপূর্ব বর্ণনা দিলেন মসজিদে নববীর খতিব জাতিসংঘ অধিবেশন শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিকের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ কওমি মাদরাসার মানোন্নয়ন ও অপপ্রচার মোকাবিলায় ঢাকায় মুহতামিম সম্মেলন সোমবার উচ্চাকাঙ্ক্ষা মুমিনের ঈমানি চেতনারই অংশ: মসজিদে হারামের খতিব রশীদ আহমদ ফেরদৌসের স্মরণে খেলাফত মজলিসের আলোচনা সভা

মাদারীপুরে নদী ভাঙনে বিলীন হচ্ছে মসজিদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মাদারীপুর জেলায় পদ্মা, আড়িয়াল খাঁ, কুমার নদ, পালরদী, ময়নাকাটা, বিল পদ্মাসহ ছোট-বড় সাতটি নদনদীতে পানি বেড়ে দেখা দিয়েছে ভাঙন। এতে স্থানীয় মসজিদ, পাকা রাস্তা, বসতবাড়ি, দোকানপাটসহ ফসলি জমি ও গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙনের ভয়ে অনেকেই বাড়িঘর ও দোকানপাট অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন।

ভাঙনকবলিত এসব এলাকায় জিওব্যাগ ফেলে নদীভাঙন ঠেকাতে কাজ করে যাচ্ছে মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, রাজৈর উপজেলার টেকেরহাটের কালীবাড়ি ফিডার সড়কের গোয়ালবাথান উত্তরপাড়া নামক স্থানে প্রায় ১০০ মিটার পাকা সড়ক কুমার নদে বিলীন হওয়ার পথে। সড়কটির বেশিরভাগই নদে চলে গেছে। ভাঙন রোধ করা না গেলে পুরো সড়কটি নদে বিলীন হয়ে যেতে পারে। আর এ সড়কটি বিলীন হয়ে গেলে বিদ্যানন্দী মাঠের হাজার হাজার একর জমির ধান নদের পানিতে তলিয়ে যাবে।

এ ছাড়া সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন টেকেরহাট বন্দরসহ উপজেলা সদরে চলাচল করেন নিলখী, কবিরাজপুর ও হরিদাসদী মহেন্দ্রী ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।

টেকেরহাটসংলগ্ন শংকরদী গ্রামের মুন্সীপাড়া একটি জামে মসজিদ ও লাবলু মুন্সী, কেনাল মুন্সী, তানভীর মুন্সী, তৈয়ব মুন্সী, আসমত মুন্সী, লুৎফর মুন্সী, রফিকুর মুন্সীর বসতঘরসহ প্রায় ২০টি বসতঘর নদীভাঙনের সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। যে কোনো সময় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন তারা। বিগত কয়েক বছরে এই এলাকা থেকে প্রায় ৩০টি পরিবারের বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় অনত্র গিয়ে বসবাস করছে বলেও জানায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।

রাজৈরের গোয়ালবাথান এলাকাবাসীর অনেকেই জানান, কুমার নদ থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এখনই ভাঙন প্রতিরোধ করা না হলে বিদ্যানন্দী মাঠের সব ফসলি জমি নদের পানিতে ডুবে যাবে।

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম সাহা জানান, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ভাঙন ঠেকাতে কুমার নদের কয়েকটি স্থানে জিওব্যাগ ফেলানো হচ্ছে।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ