রবিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১১ মাঘ ১৪৩২ ।। ৬ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
নির্বাচনে কোনো রক্তচক্ষুকে বরদাশত করা হবে না: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঝিনাইদহে জামায়াতের প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা ৮ ফেব্রুয়ারি খুলনায় পীর সাহেব চরমোনাই-এর  সমাবেশ ফ্যামিলি কার্ডের নামে বিএনপি প্রতারণা করছে: গোলাম পরওয়ার বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে : তারেক রহমান প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল হারামাইনে ইফতার ব্যবস্থাপনায় চালু হলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ঘুমের আগে ফোন ব্যবহার, নীরবে বাড়ছে মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যঝুঁকি কাশ্মীরে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা, ঝুঁকি নেই বলে জানাল পুলিশ যশোর-৫: বাবার আসনে রশীদের এমপি হওয়ার পথে বাধা বিএনপির বিদ্রোহী

পরিবারে শান্তি বজায় রাখতে স্বামীকে খুশি রাখার কিছু কার্যকারী টিপস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ডাক্তার তানিয়া সুলতানা: সংসারে সুখের জন্য নারীরা অনেক কষ্ট সহ্য করে থাকেন। নিজের সর্বস্ব দিয়ে পরিবারের জন্য স্বামী, সন্তান, আত্মীয়স্বজনের জন্য ভাল কিছু করার চেষ্টা করেন। এক্ষেত্রে নারীরা যদি স্বামীকে খুশি রাখার ও শুধু নিজের করে রাখার কার্যকারী কিছু টিপস নিতে পারেন; তাহলে সংসার হবে আরো সুন্দর। আসুন আমরা জেনে নিই কিছু টিপস-

১) স্বামীর ঘুম থেকে উঠার আগে নিজে উঠে পরিপাটি হয়ে নেওয়া যাতে স্বামী আপনাকে সকাল বেলাই অপরিপাটি না দেখে। তার সাথে সুগন্ধি ব্যবহার করুন। যাতে সকালে আপনাকে দেখেই আপনার স্বামীর মন ভরে যায়।

২) তার ঘুম যেভাবে ভাঙ্গালে সে পছন্দ করবে, সেভাবে তাকে ঘুম থেকে জেগে তুলুন।

৩) তার প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে তবেই অন্য কাজে যাবেন। এবং সে তার কাজে যাওয়ার সময় কপালে আর বুকে দু’টো চুমো এঁকে দিন।

৪) সে কখন বাসায় আসতে পারে তা অনুমান করে পরিপাটি হয়ে থেকে তার অপেক্ষা করুন এবং সে ডাকার সাথে সাথে দরজা খুলে দিন এক মুচকি হাসি দিয়ে এবং তার সাথে কথা বলার সময় সর্বদা হাসি মুখে কথা বলুন।

৫)তার সামনে কখনো গন্ধ নিয়ে যাবেন না। সবসময় একটা সুঘ্রাণ রাখুন নিজের শরীরে।

৬) পরিপূর্ণ পর্দা করুন।

৭)স্বামীকে তাহাজ্জুদ এবং ফজরের নামাজের জন্য ডেকে দিন। আল্লাহর তরফ হতে স্বামীর হৃদয়ে আপনার প্রতি অফুরন্ত ভালোবাসা জন্ম নিবে।

৮) স্বামীর মনে কখনো আঘাত দিয়ে কথা বলবেন না।

৯) কখনো স্বামীকে নিজের উপর রাগ হতে দিবেন না বরং স্বামী যে ইশারায় চালাতে চায় সে ইশারায় চলুন( নাফরমানীর কাজ ব্যতিত)।

১০)স্বামী কোন কাজ করতে আদেশ করলে সাথে সাথে হাসি ও খুশির সহিত কাজ করে দিন।

১১)স্বামীর কাছে থাকাকালীন তার অনুমতি ব্যতিত কোন নফল ইবাদাত করবেন না। স্বামীর খেদমত অন্যান্য নফল ইবাদাত থেকেও উওম।

১২)পৃথিবীর কোন মানুষের গিবত করবেন না।

১৩)স্বামীর হুকুম ছাড়া স্বামীর মাল থেকে কাউকে দান বা হাওলাত না করা। এটা জায়েজ নেই।

১৪)স্বামীর কোন দোষের কথা পৃথিবীর কোন মানুষকে না বলা। বরং স্বামীর মাথা যখন একদম ঠান্ডা থাকবে তখন স্বামীকে হাসিমুখে বিনয়ের সহিত তার ভুল ধরিয়ে ও সুধরে দেওয়ার চেষ্টা করা।

১৫)স্বামীর কোন কাজ নিজের মতের বিরুদ্ধে হলেও তর্ক না করা।

১৬)স্বামী যা আনুক তা ১ টাকার হলেও এমন একটা ভাব করুন যেন এটা আপনার কাছে ভীষণ পছন্দ হয়েছে। এতে পুরুষেরা স্বস্তি পায়।

১৭)স্বামীর বাড়িতে যতই কষ্ট থাকুক, স্বামীর সাথে সমাধামের চেষ্টা করুন। তবে হাই হতাশা করে স্বামীকে কষ্ট দিবেন না।

১৮)স্বামীর মেজাজ বুঝে ব্যবহার। তার মুখে হাসি থাকলে আপনিও হাসুন। আর তার মন কোন কারণে খারাপ থাকলে আপনিও তার মন খারাপের ভাগিদার হোন, মন খারাপের সময় হেসে এটা প্রকাশ করবেন না যে তার মন খারাপে আপনার কিছু যায় আসে না। আর মেজাজ খারাপ থাকলে একদম চুপ থাকবেন।

১৯)স্বামী আপনাকে যে টাকা দিবে তা ১০০% তাকে হিসাব দিয়ে দিন। আপনার ওপর একটা অন্যরকম বিশ্বাস সৃষ্টি হবে ইনশাআল্লাহ।

২০)শশুড়-শাশুড়ির সেবা করুন এবং শশুড় বাড়ীর সকলকে ভালোবাসুন।

২১)ঘরের কাজ কারো জন্য ফেলে রাখবেন না।

২২)স্বামী বাবা-মা এর কাছে টাকা দিলে তা নিয়ে মন খারাপ করবেন না। তাদের ছেলের টাকা তারা নিবে না তো কে নিবে?

২৩) স্বামী কোন সফর থেকে ফিরলে তাকে খেদমত করুন, প্রশ্ন করুন পরে।

আরেকদিন স্ত্রীর প্রতি করণীয় নিয়ে কথা হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তায়ালা আমাদের বোনদেরকে আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন!

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ